advertisement
আপনি দেখছেন

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় নমুনা পরীক্ষা করার পরদিন তথ্য গোপন করে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন ক্লিনিকে অন্তত আটজন প্রসূতির অস্ত্রোপচার করানোর অভিযোগ উঠেছে করোনায় আক্রান্ত সফর আলী নামের এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। এতে করে ওই সব মা ও নবজাতকের করোনায় আক্রান্তের ঝুঁকি দেখা দিয়েছে।

doctor blood test

জানা গেছে, করোনার উপসর্গ থাকায় গত ১ জুলাই কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজে নমুনা পরীক্ষা করান গোপালগঞ্জ শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজের সহকারী ওই অধ্যাপক (গাইনি)। তথ্য গোপন করে পরদিন বৃহস্পতিবার দিনভর বিভিন্ন ক্লিনিকে অন্তত আটজন প্রসূতির অস্ত্রোপচার করান তিনি। সেদিন রাতেই তার করোনা রিপোর্ট পজেটিভ আসে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত চিকিৎসক সফর আলী বলেন, শরীরে করোনার কোনো উপসর্গ নেই। প্রথমে হালকা জ্বর ছিল, এখন সেটাও নেই। নমুনা রিপোর্ট পাওয়ার পর পরই অস্ত্রোপচার কক্ষ ছেড়ে বাড়ি চলে আসি। তবে অস্ত্রোপচার করা রোগীরা ভালো আছেন এবং তাদের কোনো সমস্যা নেই।

corona virus new

শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ লিয়াকত হোসেন বলেন, তাদের কলেজে নির্দিষ্ট কয়েক দিন দায়িত্ব পালনের পর চিকিৎসকদের কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়। এক্ষেত্রে সফর আলীকেও কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু কোয়ারেন্টাইনে না থেকে তার এভাবে প্রসূতির অস্ত্রোপচার করা কোনোভাবেই ঠিক হয়নি।

অভিযোগের বিষয়ে কুষ্টিয়া জেলা সিভিল সার্জন এইচ এম আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, চিকিৎসকের অসতর্কতার কারণে ওই সব মা ও শিশু এবং ক্লিনিকগুলো ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। সংক্রমণ যেন না ছড়ায়, সে বিষয়টি দেখা হচ্ছে।

sheikh mujib 2020