advertisement
আপনি দেখছেন

মাত্র ৩ মাসে চিত্রটা সম্পূর্ণ বদলে গেল। আগে খালি বাসা পাওয়া যেত না আর এখন বাসা খালি পড়ে আছে, কিন্তু ভাড়াটিয়া পান না বাড়ির মালিক। সংকটটা শুধু এখানেই সীমাবদ্ধ নেই, ভাড়াটিয়া যারা আছেন তাদের কাছ থেকে ভাড়াও পাচ্ছেন না বাড়িওয়ালা। এই অপরাধে চাইলে তাদেরকে বের করেও দিতে পারছেন না। কারণ বের করে দিলে কোনোভাবেই জুটবে না নতুন ভাড়াটিয়া। কারো কারো ক্ষেত্রে দেখা গেছে, দুই মাস টু-লেট ঝুলিয়ে একটি কলও পাননি।

to let

ভাড়াটিয়ারা এমন ‘সোনার হরিণ’ হয়ে ওঠার পেছনে সঙ্গত কারণ আছে। অধিকাংশ উচ্চবিত্তই রাজধানী ঢাকায় নিজেদের ফ্ল্যাটে বসবাস করে থাকেন। অন্যদিকে ভাড়া বাসায় থাকেন মধ্যবিত্ত কিংবা নিম্নবিত্তরা, মাসের শুরুতে বেতন হলেই যারা বাড়িওয়ালাকে টাকা দিতে পারেন। করোনার ভয়াল থাবায় এই মধ্যবিত্তদের অনেকেই চাকরি হারিয়েছেন, না হারালেও বেতন পাচ্ছেন না গত কয়েক মাস। এমতাবস্থায় বাসা ছেড়ে দেওয়া ছাড়া গত্যান্তর থাকে না তাদের।

ভাড়াটিয়া পরিষদের সভাপতি বাহরানে সুলতান বাহার বলেন, করোনাভাইরাসের শুরুতেই আমরা এই আশঙ্কা করেছিলাম। তাই সংগঠনের পক্ষ থেকে বারবার বিবৃতি দিয়েছি, সরকারের কাছে আবেদন করেছি। কিন্তু ভাড়াটিয়ার পাশে দাঁড়ায়নি কেউই। তাই এমন সংকট সৃষ্টি হওয়ার বিষয়টা অনুমিতই ছিল।

dhaka city image

তিনি আরো বলেন, আমরা শুধু ভাড়াটিয়াদের জন্য আবেদন জানাইনি। বলেছিলাম বাড়ির বিদ্যুত বিল, গ্যাস বিলসহ আনুষঙ্গিক বিলগুলো মওকুফ করতে। তাতে উভয় পক্ষই ভালো থাকতো। তা না করায় এখন সংকটে আছে সবাই। সরকারের কাছে আবেদন, ভাড়াটিয়াদের জন্য কিছু একটা করুন। অনেক চাকরিজীবীরাই অর্ধেক বেতন পাচ্ছেন। সেটা বিবেচনায় বাসা ভাড়াটাও অন্তত অর্ধেক মওকুফ করা যেতে পারে।

sheikh mujib 2020