advertisement
আপনি দেখছেন

গ্রেপ্তার করা হয়েছে করোনাভাইরাসের ভুয়া রিপোর্ট দিয়ে দেশব্যাপী আলোচিত ডা. সাবরিনা চৌধুরীকে। স্বামী আরিফ চৌধুরীর সঙ্গে মিলে করোনার এই ক্রান্তিকালেও অবিশ্বাস্য জালিয়াতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। তবে গ্রেপ্তারের আগে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, আরিফ চৌধুরী আমার স্বামী নন, তাকে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছি। দুই মাসের মধ্যে সেটা কার্যকর হবে।

dr sabrina

করোনার প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকেই জেকেজি হেলথ কেয়ার নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের আড়ালে এমন অপকর্ম করে আসছিলেন এই দুজন। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ছিলেন ডা. সাবরিনা এবং প্রধান নির্বাহীর দায়িত্বে ছিলেন আরিফ চৌধুরী। এর আগে বেশ কয়েকবার স্বামী-স্ত্রীর পরিচয় দিলেও প্রতার‌ণা ধরা পড়ার পর ডিভোর্সের কথা জানান ডা. সাবরিনা।

প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফ চৌধুরী গ্রেপ্তার হওয়ার পর কিছুদিন গা ঢাকা দিয়েছিলেন সাবরিনা। তারপর প্রকাশ্যে আসলেও তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। এ নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে অবশেষ আজ রোববার দুপুরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

jkg health

জেকেজি হেলথ কেয়ার থেকে মোট ২৭ হাজার করোনার রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১১ হাজার ৫৪০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে আইইডিসিআরের মাধ্যমে। সঠিক এই রিপোর্টগুলো ছাড়া বাকি ১৫ হাজার ৪৬০টি রিপোর্টই ভুয়া। টাকা নিয়ে মানুষের হাতে ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে ল্যাপটপে বানানো সনদ। অথচ এই রিপোর্টগুলোর জন্য তারা জনপ্রতি ৫-১০ হাজার টাকা করে নিয়েছে।

গত মাসের ২৪ জুন জেকেজির এই প্রতারণার বিষয়টি প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে আসে। ওইদিনই প্রতিষ্ঠানটির গুলশান কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে আরিফ চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু ডা. সাবরিনার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থাই নেওয়া হচ্ছিল না। সূত্র বলছে, চিকিৎসকদের প্রভাবশালী এক সংগঠনের কয়েকজন নেতার সঙ্গে সম্পর্ক থাকায় এতদিন তার কিছু হয়নি। তবে অবশেষে আর শেষ রক্ষা হলো না আলোচিত চিকিৎসক সাবরিনার।

sheikh mujib 2020