advertisement
আপনি দেখছেন

মরণব্যাধী করোনাভাইরাসের সংক্রমণের সর্বোচ্চ ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও দেশের বিভিন্ন স্থানে কোরবানির পশুর হাট বসেছে। সরকারের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার কথা বললেও অধিকাংশ স্থানেই তা মানা হচ্ছে না। ফলে সংক্রমণের ভয়ে অনেক ক্রেতা গরু না কিনেই ফিরে যাচ্ছেন।

cow market 2020পশুর হাটে কেউই স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না

আজ মঙ্গলবার গাইবান্ধা জেলার বিভিন্ন স্থানে কোরবানির পশুর হাট বসেছে। এর মধ্যে ঐতিহ্যবাহী ভরতখালী পশুর হাটে হাজার হাজার মানুষকে ভিড় করতে দেখা গেছে। মানা হয়নি কোনো স্বাস্থ্যবিধি কিংবা সামাজিক দূরত্ব। ক্রেতা-বিক্রেতা থেকে শুরু করে হাট ইজারাদার কর্তৃপক্ষ পর্যন্ত কেউই মাস্ক পরিধান করেনি। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

বেশ কয়েকজন বিক্রেতা বলেন, করোনার মধ্যেও অনেক কষ্ট করে গরু বিক্রির জন্য হাটে এসেছি। কিন্তু হাটের স্বাস্থ্যবিধি মানা কিংবা কোনো নিয়ম-কানুন নেই। যে যার ইচ্ছামতো ঘোরাফেরা করছে। কেউই সামাজিক দূরত্ব মানছেন না। এ জন্য অনেক ক্রেতা এসেও আবার ফিরে যাচ্ছেন।

ক্রেতারা অভিযোগ করে বলেন, ভেবেছিলাম হাটে করোনা প্রতিরোধী সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। কিন্তু এখানে কোনো স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। সামাজিক দূরত্বেরও কোনো বালাই নেই। যে যার মতো চলাফেরা করছেন। তাই গরু না কিনেই ফিরে যেতে হচ্ছে।

এমনকি চেয়ার-টেবিল নিয়ে যারা গরু বিক্রির রশিদ লিখছেন, তাদের মুখেও কোনো মাস্ক নেই। দেশে করোনাভাইরাস বলতে যে কিছু আছে, সেটা যেন সবাই ভুলে গেছে।

cow market1 2020পশুর হাটে কেউই স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না

এ বিষয়ে হাটের ইজারাদার মোহাম্মদ আলী গং বলেন, বন্যার কারণে হাটে ক্রেতা কম আসছে। এ নিয়ে অনেক টেনশনে আছি। আগামীতে সামাজিক দূরত্ব বাজায় রেখে হাট বসানোর সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

গাইবান্ধা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার গৌতম চন্দ্র মোদক বলেন, সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে হাটে প্রশাসনের নজরদারি আরো বাড়ানো দরকার। পাশাপাশি অনলাইনে বেচা-কেনায় সবাইকে উৎসাহ দিতে হবে। এতে করে সংক্রমণ রোধ করা সম্ভব।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর বলেন, সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে পশুর হাট বসানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। সেখানে নজরদারি আরো বাড়ানো হবে। স্বাস্থ্যবিধি না মানলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

sheikh mujib 2020