advertisement
আপনি দেখছেন

বছর ঘুরে আবার এলো পবিত্র ঈদুল আজহা। মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি আনুগত্য ও ত্যাগের মহিমা নিয়ে আজ শনিবার সারাদেশে উদযাপিত হচ্ছে কোরবানির ঈদ। সকালে নিকটস্থ মসজিদে গিয়ে ঈদের নামাজ আদায় শেষে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় পশু কোরবানিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন নগর ও দেশবাসী।

animal scrificeঈদের নামাজ শেষে পশু কোরবানিতে ব্যস্ত নগরবাসী- ছবি সংগৃহীত

সকালে গোসল করে জামা-কাপড় পরে সুগন্ধী আতর গায়ে মেখে নিকটস্থ মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করতে যান মুসল্লিরা। এ বছর করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) পরিস্থিতির মধ্যে উদযাপিত হচ্ছে কোরবানির ঈদ। তাই মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে নামাজ আদায় করেন মুসল্লিরা। ঈদের জামাতে নামাজ শেষে মসজিদের ইমাম খুতবা পাঠ করেন।

খুতবায় কীভাবে পশু কোরবানি করতে হবে, কীভাবে মাংস বিলিবণ্টন করতে হবে- এসব বিষয়ে বয়ান করেন ইমামগণ। পাশাপাশি ঈদের নামাজ শেষে মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে মোনাজাত করেন মুসল্লিরা। মোনাজাতে চলমান করোনাভাইরাস ও বন্যা পরিস্থিতি থেকে দেশবাসীকে রক্ষা এবং দেশের মঙ্গল কামনায় দোয়া প্রার্থনা করেন মুসল্লিরা।

eid prayer bdবায়তুল মোকাররম মসজিদে ঈদের নামাজ

প্রতিবছর ঈদের নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অন্যের সঙ্গে কোলাকুলি করলেও এ বছর করোনা পরিস্থিতির কারণে এসব রেওয়াজ পালন করা হয়নি। এরপর আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় পশু কোরবানিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন মুসল্লিগণ।

এর আগে ভোরে পশুকে গোসল করিয়ে কোরবানির জন্য প্রস্তুত করে রেখেছেন আনেকে। তাই ঈদের নামাজ পড়ে এসেই শুরু করা হয় কোরবানি। দোয়া পাঠের মাধ্যমে কোরবানির পশুকে জবাই করা হয়। তারপর সবাই দলবলে নেমে যান মাংস কাটায়। সবাই মিলে মাংস কাটার মাঝেই যেনো কোরবানির ঈদের প্রকৃত আনন্দ। তবে অন্যান্য বছর পশু জবাই ও মাংস কাটার সময় শিশুদের উপস্থিতি ও অংশগ্রহণ দেখা গেলেও এ বছর করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে তা অনেকটাই কম।

sheikh mujib 2020