advertisement
আপনি দেখছেন

সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদের মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

asadujjamn khan kamal 1স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল- ফাইল ছবি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহার মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে যারা দোষী সাব্যস্ত হবেন বা এ ঘটনায় যাদের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যাবে, তাদের বিচারের আওতায় আনা হবে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী তাদের বিচারের ব্যবস্থা করা হবে।

এ সময় তিনি নিহত মেজর সিনহার অনাকাঙ্খিত মৃত্যুর ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেন।

আসাদুজ্জামান খান কামাল আরো বলেন, এ ঘটনায় ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে ৭ জন আত্মসমর্পণ করে আদালতে হাজির হয়েছেন। আসামিদের বিষয়ে বিজ্ঞ আদালত কী আদেশ দিয়েছেন তার আনুষ্ঠানিক কাজপত্র এখনো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এসে পৌঁছায়নি। তবে যেহেতু মামলা হয়েছে আদালত তার বিচার করবেন।

mejor sinha rashedপুলিশের গুলিতে নিহত হওয়া সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ- ফাইল ছবি

গত ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সিনহা রাশেদ। পুলিশের পক্ষ থেকে ওই সময় বলা হয়, রাশেদ সিনহা তার পরিচয় দিয়ে ‘তল্লাশিতে বাধা দেন’। এর পর তিনি ‘পিস্তল বের করলে’ দায়িত্বরত পুলিশ তাকে গুলি করে। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারের কথাও জানায় পুলিশ। এ নিয়ে পুলিশের পক্ষ থেকেও মামলা করা হয়েছে।

পরে এ ঘটনার বিচার চেয়ে টেকনাফ উপজেলা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারহার আদালতে ৯ পুলিশ সদস্যকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন মেজর সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস।

মামলার এজাহরভুক্ত আসামিরা হলেন- টেকনাফ থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের প্রত্যাহার হওয়া পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) লিয়াকত আলী, উপ-পরিদর্শক (এসআই) নন্দ দুলাল রক্ষিত, সহকারি উপ-পরিদর্শক (এএসআই) লিটন মিয়া, এএসআই টুটুল, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল মো. আবদুল্লাহ আল মামুন ও কনস্টেবল মোহাম্মদ মোস্তফা। এর মধ্যে দুই আসামি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। বাকি সাতজন আত্মসমর্পণ করেছেন।

পরে গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে ৭ আসামিকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। তদন্ত কর্মকর্তারা প্রত্যেক আসামির ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত প্রথমে ৩ জনের ৭ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পাশাপাশি বাকি ৪ জনকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেন। পরে আদালতের পক্ষ থেকে এ আদেশ পরিবর্তন করা হয়। পরিবর্তিত আদেশে ৭ আসামিকে ৭ দিন করে রিমান্ড দেওয়া হয়।

sheikh mujib 2020