advertisement
আপনি দেখছেন

টেকনাফে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যার ঘটনায় কক্সবাজারের পুলিশ সুপারের (এসপি) সঙ্গে ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও পরিদর্শক লিয়াকত আলীর ফোনালাপের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করছে তদন্তকারী সংস্থা র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। শনিবার গণমাধ্যমকে তথ্যটি জানিয়েছেন র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ।

mejor sinha rashedমেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান

তদন্তে এর সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, সিনহা হত্যাকাণ্ড সংশ্লিষ্ট যে ফোনালাপ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, তা র‌্যাবের নজরে এসেছে। ফোনালাপের বিষয়টি এখন যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এ ছাড়া অন্যান্য বিষয়গুলো বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের মোটিভ কী ছিল? এবং কোন কোন ব্যক্তি নির্দিষ্টভাবে দায়ী? তাদের চিহ্নিত করাই র‌্যাবের মূল লক্ষ্য। নিহতের বড় বোন যে মামলাটি করেছেন, ওই মামলায় ৯ জনকে আসামি করা হয়েছে। এরমধ্যে সাত জন আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন এবং বাকি দুই জনের বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। কারণ বাহারছড়া কেন্দ্রে এই দুই নামের কোনো পুলিশ সদস্য নেই।

গ্রেপ্তারকৃত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মেজর সিনহার বড় বোনের দায়ের করা মামলার গুরুত্বপূর্ণ একজন সাক্ষী হলো সিফাত। আর পুলিশের দায়ের করা মামলায় সিফাত একজন অপরাধী। তাই এখন সে পুলিশ হেফাজতে আছেন। বিষয়টি র‌্যাবের পর্যালোচনায় আছে।

masud liakat

এক্ষেত্রে র‌্যাবের বক্তব্য হচ্ছে- পুলিশের করা মামলার ক্ষেত্রে যে আইনজীবী আছেন তিনি সিফাত ও শিপ্রাকে মুক্ত বা জামিনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করবেন। এর বাইরে র‌্যাবের তদন্তকারী কর্মকর্তারা সিফাত ও শিপ্রার হারিয়ে যাওয়া ল্যাপটপ, হার্ডডিক্স ও ঘড়ি উদ্ধারের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, মামলাটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। সে জন্য তদন্তে র‌্যাব সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবে। পাশাপাশি যে বিষয়গুলো গণমাধ্যমে এসেছে সেগুলোর সমন্বয় করে তদন্ত কর্মকর্তারা কাজ করবেন। এক্ষেত্রে প্রয়োজন হলে বাহিনীর যে কারো সহযোগিতা নিতে পারবেন তারা।

sheikh mujib 2020