advertisement
আপনি দেখছেন

বাংলাদেশে প্রবেশের জন্য সীমান্তবর্তী বিভিন্ন স্থলবন্দরে পেঁয়াজভর্তি অসংখ্য ট্রাক অপেক্ষায় থাকলেও অনুমতি দিচ্ছে না ভারত। রানাঘাট স্টেশনেও ৮ দিন ধরে অপেক্ষা করছে ১৬৫ র‌্যাক পেঁয়াজভর্তি অনেকগুলো ওয়াগন।

onion filled truckপেঁয়াজভর্তি ভারতীয় ট্রাক- ফাইল ছবি

জানা গেছে, ভারত সরকারের অনুমতি না পাওয়ায় এবং পেঁয়াজে পচন ধরায় ট্রাক-ওয়াগনগুলো যেখান থেকে মালামাল বুক করা হয়েছিল, সেখানে ফেরত যাচ্ছে। ফলে আমদানি করা বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ আটকে পড়ায় সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা অনিশ্চয়তায় পড়েছেন।

এমন তথ্য দিয়ে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) এক প্রতিবেদনে বলা হয়, অনিশ্চয়তার কোনো সুরাহা না হওয়ায় রানাঘাট স্টেশনে আটকে থাকা ১৬৫ র‌্যাক পেঁয়াজভর্তি ওয়াগনগুলো স্টেশন ছেড়ে গেছে।

এসব ওয়াগন ‌‌‌‌নিয়ম অনুযায়ী যেখান থেকে বুক করা হয়েছিল, সেখানেই পৌঁছে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন রানাঘাট রেলওয়ের গুডস বিভাগের এক কর্মকর্তা। তিনি আরও জানান, ওয়াগনভর্তি ১৬৫ র‌্যাক পেঁয়াজের দাম ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ৫ কোটি রুপি।

onion rottenপচন ধরেছে আটকে পড়া পেঁয়াজে

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভারতের পেট্রাপোল আমদানি-রপ্তানি সমিতির সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী জানান, বাংলাদেশে প্রবেশের অনুমতি না মেলায় ৫টি স্থলবন্দরে আটকে পড়া পেঁয়াজভর্তি ট্রাকগুলোর বেশির ভাগই বুক হওয়া স্থানে ফেরত গেছে। এসব ট্রাকের ৩৫-৪০ শতাংশ পেঁয়াজ এরই মধ্যে নষ্ট হয়ে গেছে।

ভারতের কলকাতায় দায়িত্বরত বাংলাদেশের উপ-হাই কমিশনার তৌফিক হাসান জানান, ভারতীয় স্থলবন্দরে আটকে থাকা পেঁয়াজভর্তি ট্রাকগুলোর অধিকাংশ অন্যত্র চলে গেছে। এতে উভয় দেশের ব্যবসায়ীরা বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়লো।

এমতাবস্থায় দিল্লির সিনিয়র সাংবাদিক গৌতম লাহিড়ী বলছেন, গত বুধবার ভারত সরকারের কাছে বাংলাদেশ সরকার যে লিখিত অনুরোধ পাঠিয়েছিল, সৌজন্যতার খাতিরে হলেও তা রক্ষা করা উচিত ছিল। প্রতিবেশী উভয় দেশের বন্ধুত্ব ও সমঝোতার সম্পর্কের বিবেচনায় নিয়ে এমনটি না করায় একটি ভুল বার্তা পৌঁছাবে বাংলাদেশের জনগণের কাছে।

sheikh mujib 2020