advertisement
আপনি দেখছেন

করোনা মোকাবেলায় সরকারি-বেসরকারি অফিসে সেবার ক্ষেত্রে ‘নো মাস্ক, নো সার্ভিস’ নীতি গ্রহণ করেছে সরকার। আজ রোববার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

bd worker singapore maskমাস্ক ব্যবহারে অনীহা -ফাইল ছবি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ভার্চুয়াল বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বৈঠকে করোনা সংক্রমণ মোকাবেলায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের গৃহীত নানা পদক্ষেপ তুলে ধরা হয়।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ জন্য সরকারি-বেসরকারি অফিসের সামনে ‘মাস্ক ছাড়া কাউকে ঢুকতে দেওয়া হবে না’ লেখা থাকবে।

আসন্ন শীত মৌসুমকে সামনে রেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। এর আগে গত সোমবারের বৈঠকে করোনা সংক্রমণের সম্ভাব্য দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় এখন থেকেই মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছিল মন্ত্রিসভা।

cabinet secretary govt holydayমন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম

তখন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার দৃঢ় অবস্থানের কথা জানিয়ে খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেছিলেন, সবার মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে সংক্রমণের সম্ভাবনা অনেক কমে আসবে। এ বিষয়ে মানুষকে আরো সচেতন করতে হবে। অনেকের মধ্যে রিল্যাক্স ভাব দেখা যাচ্ছে। বাইরে বের হলে সবাই যেন নিয়মিত মাস্ক ব্যবহার করি, সেটাই আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

এ বিষয়ে মাঠ প্রশাসনকে নির্দেশ দেয়া প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, ইতোমধ্যেই কমিশনার কনফারেন্সে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে বলা হয়েছে, ইমামদের মাধ্যমে সকল মসজিদ থেকে মুসল্লিদের সচেতন করতে। প্রয়োজনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে, দরকার হলে আইন প্রয়োগ করা হবে।

মন্ত্রিসভার আজকের বৈঠকে ‘মুজিব বর্ষ’ উপলক্ষে একাদশ জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের সংশোধিত খসড়ার অনুমোদন দেয়া হয়। এ ছাড়া সম্প্রতি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইনের খসড়াও অনুমোদন দেওয়া হয়। আইনটি অধ্যাদেশ আকারে এরই মধ্যে জারি করা হয়েছে। এটি আসন্ন সংসদ অধিবেশনে বিল আকারে উত্থাপিত হবে।

sheikh mujib 2020