advertisement
আপনি দেখছেন

ফ্রান্সে মহানবী হজরত মুহাম্মদ সা. এর কার্টুন প্রদর্শন নিয়ে চলমান ইস্যুতে বাংলাদেশ পক্ষ নেবে না। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁন এ নিয়ে যে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন, তারও নিন্দা জানানো হবে না। তবে এই ইস্যুতে যে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন হচ্ছে, তা চলবে। বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

french embassy gherao program innerফরাসি দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা এ বিষয়ে বলেন, বাংলাদেশে ফরাসি দূতাবাস, আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ এবং ফ্রেঞ্চ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশে থাকা ফরাসি নাগরিকদের নিরাপত্তাও বাড়ানো হয়েছে।

নবী সা. কে নিয়ে কার্টুন প্রকাশের প্রতিবাদে বাংলাদেশে গত কয়েক দিন ধরেই বিক্ষোভ সমাবেশ হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা বলেন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা সবার আছে। শান্তিপূর্ণ উপায়ে যতক্ষণ পর্যন্ত বিক্ষোভ সমাবেশ হচ্ছে, ততক্ষণ এ বিষয়ে সরকার কোনো ভূমিকা রাখবে না।

protest against french presidentফরাসি প্রেসিডেন্টের ন্যাক্কারজনক উদ্যোগের প্রতিবাদে ঢাকায় বিক্ষোভ

এদিকে, ফ্রান্সের বহুল প্রচারিত ম্যাগাজিন শার্লি এবদোতে নবী সা. কে নিয়ে কার্টুন প্রকাশের বিষয়টিকে ফরাসি প্রেসিডেন্ট রাষ্ট্রীয়ভাবে সমর্থন দেওয়ার পর থেকেই বিশ্বের অন্যান্য মুসলিম দেশের মতো বাংলাদেশেও আলেম সমাজ ও সাধারণ মুসলিম জনতার প্রতিবাদ অব্যাহত রয়েছে। ওই কার্টুন প্রকাশের মাধ্যমে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের প্রতিবাদে বুধবারও রাজধানীর কয়েকটি জায়গায় বিক্ষোভ হয়েছে।

কওমি মাদ্রাসার আলেম ও শিক্ষার্থীরা এবং অন্যান্য ধর্মভিত্তিক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে এসব বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। কর্মসূচি চলাকালে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ এলাকায় ফরাসি প্রেসিডেন্টের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়।

এসব বিষয়ে সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে বুধবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনকে প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

অন্যদিকে, ফ্রান্সবিরোধী যেসব ভিডিও ইউটিউবে বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যক্তির মাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে। ইউরোপের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা সেগুলোর বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রণালয়ের আরেক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এগুলোর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে হলে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মাধ্যমে নিতে হবে। কিন্তু ইউরোপীয় দেশগুলোরই এই আইন নিয়ে আপত্তি আছে।

এই কর্মকর্তা আরো বলেন, বিষয়টিকে মত প্রকাশের স্বাধীনতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

sheikh mujib 2020