advertisement
আপনি দেখছেন

নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনায় গ্রেপ্তারের পর কারাগারে থাকা এমপি হাজী সেলিমপুত্র ইরফান সেলিম ও তার দেহরক্ষী জাহিদুল মোল্লাকে আরো ১৪ দিনের রিমান্ডে চেয়েছে চকবাজার থানা পুলিশ। ওই কর্মকর্তাকে মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ইরফানদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ধানমন্ডি থানার মামলাটি তদন্তের ভার দেয়া হয়েছে গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি)।

irfan selim 1গ্রেপ্তারের পর ইরফান সেলিম

চকবাজার থানার ওসি মওদুত হাওলাদার জানান, র‌্যাবের দায়ের করা অস্ত্র ও মাদক মামলায় ৭ দিন করে ইরফান ও জাহিদুলকে মোট ১৪ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে মামলা দুটিতে গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাদের রিমান্ডে নেয়ার আবেদন আদালতে পাঠানো হয়।

এদিকে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ৩ আসামিসহ মামলাটি ডিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ধানমন্ডি জোনের অতিরিক্ত পুলিশ উপ-কমিশনার আবদুল্লাহিল কাফি।

এর আগে গতকাল বুধবার ধানমণ্ডি থানার মামলায় ইরফান ও জাহিদের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। তার আগের দিন (মঙ্গলবার) এ মামলায় গ্রেপ্তার আরেক আসামি হাজী সেলিমের প্রটোকল কর্মকর্তা এবি সিদ্দিক দীপুকেও ৩ দিনের রিমান্ড দেন আদালত।

গত সোমবার ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) হাজী সেলিমের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ইরফান ও জহিদকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। এ সময় অস্ত্র, মদ ও ইয়াবা উদ্ধার করার কথা জানায় সংস্থাটি।

irfan selim torchar sellউদ্ধারকৃত বিভিন্ন জিনিসপত্র

এ ঘটনায় দুটি মামলা হলে মাদক ও অবৈধভাবে ওয়াকিটকি রাখার অপরাধে তাদের এক বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেয় র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত। বর্তমানে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সাধারণ সেলের কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন তারা।

প্রসঙ্গত, গত রোববার দিবাগত রাতে রাজধানীর কলাবাগান এলাকায় মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়াকে কেন্দ্র করে নৌবাহিনীর লেফটেনেন্ট ওয়াসিফ আহমেদ খানকে মারধর করা হয়। হাজী মোহাম্মদ সেলিমের ‘সংসদ সদস্য’ লেখা সরকারি গাড়ি থেকে নেমে কয়েকজন তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

জানা যায়, ওই ঘটনার পর পরই রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ। এর পর দিন সোমবার সকালে হাজী সেলিমের ছেলে ইরফানসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন তিনি। 

sheikh mujib 2020