advertisement
আপনি দেখছেন

করোনাভাইরাস প্রতিরোধী ভ্যাকসিন কবে আসবে কিংবা আসলেও তা কতটুকু কার্যকর হবে, সে সম্পর্কে কেউই জানে না। তাই ভ্যাকসিন আসার আগ পর্যন্ত কিংবা না আসলেও এর বিকল্প হিসেবে ভাইরাসটির সংক্রমণ ঠেকাতে তিনটি উপায় জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও ইউজিসি অধ্যাপক ডা. এবিএম আবদুল্লাহ।

dr abm abdullah1ডা. এবিএম আবদুল্লাহ

মঙ্গলবার রাজধানীর বিএমএ মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট পরিষদ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, ভ্যাকসিন আসলেই আসবে কিনা, কবে আসবে এবং কতটুকু কার্যকর হবে তা কেউই জানি না। আর যদি ভ্যাকসিন না আসে, তাহলে ভাইরাসটির সংক্রমণ ঠেকাতে বিকল্প হিসেবে তিনটি কাজ চালিয়ে যেতে পারি।

‘প্রথম কাজটি হলো- ৮০ শতাংশ ক্ষেত্রে মাস্ক পরিধান করলেই কোভিড-১৯ সংক্রমণ রোধ সম্ভব। বাকি দুটি কাজ হলো- হাত ধোঁয়া অবশ্যই চালু রাখা এবং শারীরিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে।’

ডা. এবিএম আবদুল্লাহ বলেন, চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মী ও টেকনোলজিস্টরা ভাইরাসটির দ্বিতীয় ঢেউ সামাল দিতে পারবে বলেই বিশ্বাস করি। কারণ বিশ্বের সকল ওষুধই এখন মোটামুটি আমাদের দেশে পাওয়া যায় এবং আমরা অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। রোগী না থাকায় অনেক হাসপাতালই বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সেগুলো আবারও প্রস্তুত রাখার জন্য অনুরোধ করছি।

cv 19 bd 1করোনা নিয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতার অভাব আছে

মানুষের মধ্যে সচেতনতার অভাব আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন- অনেকেই মনে করেন, করোনা নেই এবং তাদের ধারনা এটি বড়লোকের রোগ। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষরা এমনটাই মনে করেন। সে জন্যই সবার মধ্যে একটা গা-ছাড়া ভাব এসে গেছে।

এখন আবার সংক্রমণ বাড়ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত এই চিকিৎসক বলেন, আসন্ন শীতে ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব আরো বাড়তে পারে। কারণ শীতেই করোনা শুরু হয়েছিল। বিভিন্ন দেশে এখন লকডাউনও চলছে। সব মিলিয়ে আমাদের আরো সচেতন হতে হবে এবং জনগণের মাঝে তা ছড়িয়ে দিতে হবে।

সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, মহাসচিব ডা. এহতেশামুল হক চৌধুরী, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো আবু ইউসুফ, বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট পরিষদের সভাপতি গোলাম সারোয়ার এবং সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান।

sheikh mujib 2020