advertisement
আপনি দেখছেন

রোহিঙ্গা হিসেবে সৌদি আরবে যাওয়া বাংলাদেশিদের ‘অবশ্যই পাসপোর্ট দেয়া হবে’ বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। বাংলাদেশি পরিচয়ে দেশটিতে যাওয়া রোহিঙ্গারা পাসপোর্ট রিনিউ করতে আবেদন করলে ‘অবশ্যই ভেবে দেখা হবে’ বলেও জানান তিনি। বিষয়টি নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই সৌদি আরব এবং বাংলাদেশের মধ্যে আলোচনা চলছিলো।

asaduzzaman kamalঅনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে আজ রোববার এক অনুষ্ঠান শেষে এসব কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সৌদি বাদশার দেয়া ৩০ হাজার ঝুড়ি খাবার বিতরণ প্রকল্প সম্পর্কে জানাতে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এক প্রশ্নের জবাবে আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, সৌদিতে থাকা রোহিঙ্গারা একবারো বাংলাদেশি পাসপোর্ট নিয়ে থাকলে রিনিউয়ের আবেদন বিচার-বিশ্লেষণ করা হবে। বিষয়টি চিন্তা করে দেখা হবে।

রোহিঙ্গা সমস্যা এখনকার নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, গত ৫০-৬০ বছর ধরে তারা বাংলাদেশে এসেছে। তাদের সৌদি আরবও আশ্রয় দিয়েছে। সেদেশের একটি শহরে রোহিঙ্গাদের ক্যাম্পও আছে।

saudi king foods bangladesh৩০ হাজার ঝুড়ি খাবার পাঠালেন সৌদি বাদশাহ

এবার ১.১ মিলিয়ন রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসেছে, যা ‘বিরাট ফ্যাক্ট’ মন্তব্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তারা বাংলাদেশি নাগরিক নন, মিয়ানমারের অধিবাসী। তাদের কাউকে আমরা পাসপোর্ট দিয়ে থাকলে অবশ্যই তা রিনিউ করবো।

অনুষ্ঠানে খাবার পাঠানোর জন্য সৌদি বাদশাহকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের পাশে সব সময় থাকে সৌদি আরব। বাংলাদেশের রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানেও তারা আমাদের সহায়তা করছে। দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অটুট থাকবে।

বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বিকাশের কথা উল্লেখ করে আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৩৫ সাল নাগাদ আমাদের দেশ বিশ্বের ২৫তম বৃহৎ অর্থনৈতিক সমৃদ্ধশালী দেশ হবে।

pm saudi king salmanপ্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সৌদি বাদশাহ সালমান

এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে কিং সালমান হিউম্যানিটেরিয়ান এইড এন্ড রিলিফ সেন্টার। এতে রিয়াদে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী ও ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত ইসা ইউসুফ ইসা আল দুহাইলান উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় রাষ্ট্রদূত ড. জাবেদ পাটোয়ারী জানান, ঢাকা, নীলফামারী, যশোর, রাজশাহী, কক্সবাজার ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় এসব খাবার বিতরণ করা হয়েছে। প্রতিটি পরিবারে চার জন সদস্য ধরে খাবারগুলো বিতরণ করা হয়েছে। সেই হিসাবে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার মানুষ এতে উপকৃত হয়েছে বলে জানানো হয়। বিতরণ করা খাবারের মধ্যে ছিল তেল, চিনি, চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন উপকরণ।

sheikh mujib 2020