advertisement
আপনি দেখছেন

ঢাকা-বরিশাল নৌপথে আকস্মিক ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন নৌযান শ্রমিকেরা। আজ সোমবার দুপুরে এ কর্মসূচি ঘোষণার পর থেকেই তা পালন শুরু করেন তারা। এতে যথারীতি দুর্ভোগে পড়েছেন নৌ-যাত্রীরা।

sadarghat launch terminalসদরঘাট লঞ্চঘাট

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের বরিশাল আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি শেখ আবুল হাসেম। তিনি বলেন, ধর্মঘট ডেকে যাত্রীদের ভোগান্তি দিতে চাই না। বাধ্য হয়ে এই কর্মসূচি দেয়া হয়েছে।

জানা গেছে, লঞ্চ দুর্ঘটনার একটি মামলায় ২ লঞ্চ মাস্টারের জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন ঢাকার মেরিন আদালত। এর প্রতিবাদে ধর্মঘট ডেকেছে নৌযান শ্রমিকরা।

শ্রমিক নেতারা জানান, কারাগারে যাওয়া লঞ্চ মাস্টার রুহুল আমিন ও জামাল হোসেনকে জামিন দিতে হবে। অন্যথায় ধর্মঘট অব্যাহত থাকবে।

barisal launch ghatবরিশাল লঞ্চঘাট

এদিকে, ধর্মঘটের ঘোষণা দেয়ার পর থেকে বরিশাল নদীবন্দরে থাকা লঞ্চগুলো পন্টুন থেকে দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছে। অনেকগুলো লঞ্চ কীর্তনখোলা নদীর পূর্ব পাড়ে নোঙর করতে দেখা যায়।

এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় লঞ্চ মালিক সমিতির সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান জানান, পূর্বঘোষণা ছাড়াই নৌ শ্রমিকেরা লঞ্চ বন্ধ করে দিয়েছে। সমস্যার সমাধানে আলাপ-আলোচনা চলছে।

প্রসঙ্গত, গত বছর শীতকালে ঘন কুয়াশার কারণে ঢাকা-বরিশাল নৌপথের মেঘনায় অ্যাডভেঞ্চার-১ ও ৯ এর মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।

দুর্ঘটনায় দায়ের করা এক মামলায় চার মাসের জন্য জব্দ করা হয় লঞ্চ দুটির মাস্টার রুহুল আমিন ও জামাল হোসেনসহ ৪ জনের সনদ। তারা আজ হাজিরা দিতে গেলে কারাগারে পাঠানো হয়।

sheikh mujib 2020