advertisement
আপনি দেখছেন

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদের কথা মনে আছে? মানবতার সেবায় অনন্য নজির স্থাপন করেছিলেন যিনি। করোনায় আক্রান্ত মৃতের গোসল-দাফনের জন্য স্বজনরাও যখন এগিয়ে আসছে না তখন পরম মমতায় এই কাজটি করেছেন কাউন্সিলর খোরশেদ। তৈরি করেছেন ‘টিম খোরশেদ’ নামের ১৩ সদস্যের দল।

councilor khorshedমাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই কাজ করতে গিয়ে নিজে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্ত হয়েছেন স্ত্রীও। এমনকি জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে পৌঁছে আইসিইউতেও থাকতে হয়েছে তাকে। কিন্তু খোরশেদ পিছু হটেননি। দেশে করোনায় মৃত্যু যখন শতক ছুঁই ছুঁই, তখন আবারও আক্রান্ত মৃতদেহ নিয়ে ছুটছেন গোরস্থানে। সক্রিয় হয়ে উঠেছে ‘টিম খোরশেদ’ও।

করোনাভাইরাসের প্রথম ধাক্কায় ‘হটস্পট’ ছিল নারায়ণগঞ্জ। এখনও সেখানে ৮-১০ জন করে মারা যাচ্ছে প্রতিদিন। একটি মরদেহ কবরস্থ করতে না করতেই হয়তো আরেকটি দুঃসংবাদ এসেছে টিম খোরশেদের কাছে। ক্লান্তি ভুলে তারাও কাজটি করে যাচ্ছেন পরম মমতায়।

মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ জানান, প্রথম রমজানে আমরা করোনায় আক্রান্ত ৪টি মরদেহ দাফন করেছি। সামনের দিকে আরও বাড়বে বলে মনে হচ্ছে। আমরা তার জন্য প্রস্তুত। এখন পর্যন্ত ‘টিম খোরশেদ’ করোনায় আক্রান্ত ১৮৫টি মৃতদেহ দাফন করেছে। দলের সব সদস্যরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে, সঙ্গে মারাত্মক ঝুঁকির বিষয়টা তো আছেই।