advertisement
আপনি দেখছেন

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা উদ্ভাবিত করোনাভাইরাস প্রতিরোধী ভ্যাকসিন ‘কোভিশিল্ড’ নাম দিয়ে উৎপাদন করছে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট। উৎপাদনের শুরুতেই টিকার জন্য তাদের সঙ্গে চুক্তি হয় বিভিন্ন দেশের। এর মধ্যে অনেকে অগ্রিম অর্থও পরিশোধ করেছে। কিন্তু হঠাৎ করে টিকা রপ্তানি বন্ধ করে দেয় ভারত। এতে বাংলাদেশসহ অন্তত ৯১টি দেশ ক্ষতিগস্ত হয়।

serum vaccine india

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বরাত দিয়ে এই তথ্য প্রকাশ করেছে ভারতের এনডিটিভি। সেখানে বলা হয়, যেসব দেশ সেরামের সঙ্গে চুক্তি করেছে, তারা বড় ধরনের বিপাকে পড়েছে ভারতের এমন ঘোষণায়। লাখ লাখ মানুষকে প্রথম ডোজ দেওয়ার পর টিকা সঙ্কটের কারণে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া সম্ভব হয়নি।

ডব্লিউএইচও’র (বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা) মুখ্য বিজ্ঞানী ড. সৌম্য স্বামীনাথন বলেন, টিকার জন্য সেরামের সঙ্গে চুক্তি করা অনেকগুলো দেশ বর্তমানে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হয়ে খুব খারাপ অবস্থায় আছে। সময়মতো টিকা প্রয়োগ করতে না পারায় আরও ঝুঁকির মধ্যে পড়ে গেলো সেই দেশগুলো।

corona vaccine new

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার যৌথ উদ্যোগে করোনা ভ্যাকসিন আবিষ্কারের পর সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে একটি আইনি চুক্তি হয়। চুক্তি অনুসারে স্বল্প-মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে ১০০ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন সরবরাহের কথা ছিল সেরাম ইনস্টিটিউটের। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি মোটেও রক্ষা করতে পারেনি ভারতের সর্বোচ্চ টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানটি।

সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে বাংলাদেশের চুক্তি হয়েছিল ৩ কোটি ডোজের। কিন্তু ৭০ লাখ ডোজ পাঠানোর পর সরবরাহ বন্ধ করে দেয় ভারত। টিকা না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে প্রথম ডোজ টিকাদান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে টিকার নিবন্ধনও। ইতোমধ্যে বিকল্প উৎস থেকে টিকা আসা শুরু হয়েছে। তাই শিগগিরই টিকার নিবন্ধন এবং প্রথম ডোজ প্রদান চালু করা হবে।