advertisement
আপনি দেখছেন

দেশে নতুন উদ্যমে শুরু হচ্ছে টিকাদান কর্মসূচি। শুরুর দিকে কর্মসূচিতে গতি থাকলেও পরে টিকা সঙ্কটের কারণে তা স্লথ হয়ে পড়ে। ভারত রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ার পর সরকার ইতোমধ্যেই বিকল্প উৎস থেকে টিকা নিয়ে এসেছে। দিনকয়েকের মধ্যে নতুন উদ্যমে কর্মসূচি শুরু হলে ফাইজারের টিকা পাবেন আগে নিবন্ধনকারীরা, শিক্ষার্থীরা পাবেন সিনোভ্যাকের টিকা।

pfizer biontech cv vacc

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর একটি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। সূত্রটি আরও জানায়, অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার যে অল্প কিছু টিকা এখনো স্টকে আছে, সেগুলো শুধু দ্বিতীয় ডোজের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হবে। আগে নিবন্ধনকারী ছাড়াও চিকিৎসকদেরকে দেওয়া হবে ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. খুরশীদ আলম বলেন, এই মুহূর্তে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়াই আমাদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ সবদিক থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়ার চাপ রয়েছে। যেহেতু আমাদের শিক্ষার্থী সংখ্যা লাখ লাখ, তাই তাদেরকে দেওয়া হবে চীনের উদ্ভাবিত টিকা। কারণ এর পর্যাপ্ত স্টক রয়েছে আমাদের কাছে।

sinovac chin

দেশে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয় অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা উদ্ভাবিত করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকার মাধ্যমে। এই ভ্যাকসিন ‘কোভিশিল্ড’ নাম দিয়ে উৎপাদন করছে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট। তাদের সঙ্গে ৩ কোটি ডোজের চুক্তি হয়েছিল বাংলাদেশের। কিন্তু ৭০ লাখ ডোজ পাঠানোর পর সরবরাহ বন্ধ করে দেয় ভারত।

গত ২৭ জানুয়ারি দেশে প্রথম টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। ওই দিন রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে একজন নার্সকে দেওয়ার মাধ্যমে পরীক্ষামূলক এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর সারাদেশে গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু হয় গত ৭ ফেব্রুয়ারি।