advertisement
আপনি দেখছেন

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম জানিয়েছেন, হাসপাতালে আসা ৫০ শতাংশের বেশি করোনা রোগী গ্রামের। আর তারা এমন সময় হাসপাতালে আসছেন যখন রোগের তীব্রতা অনেক বেড়ে যাচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুষ্ঠিত এক সভা শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের আজ সোমবার এসব কথা বলেন তিনি।

khurshid alam health dg 1সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম

ডা. খুরশীদ আলম বলেন, দেশের ৪৫টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ও চিকিৎসকদের সঙ্গে আমরা গতকাল রোববার দীর্ঘ ৩ ঘণ্টার বৈঠক করেছি। তারা জানিয়েছেন, যেসব করোনা রোগী হাসপাতালে আসছেন তাদের অধিকাংশই গ্রামের বাসিন্দা। তাছাড়া রোগে আক্রান্ত হওয়ার বেশ পরে তারা হাসপাতালে আসছেন, ততক্ষণে পরিস্থিতি অনেক খারাপ হয়ে যাচ্ছে।

এ সময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিজি বলেন, আগামী ১০ দিনের মধ্যে শুরু হতে পারে মডার্নার টিকা প্রয়োগ। এক্ষেত্রে যিনি যে কেন্দ্রে নিবন্ধন করবেন সেই নির্দিষ্ট কেন্দ্রেই টিকা পাবেন তিনি। আর যারা মডার্নার টিকা নিতে আগ্রহী, তাদের অবশ্যই সিটি করপোরেশন এলাকায় নিবন্ধন করতে হবে।

khulna cv situation worseningস্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, অধিকাংশ করোনা রোগী আসছে গ্রাম থেকে, ফাইল ছবি

তিনি আরো বলেন, তিনটি ক্যাটাগরিতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আপাতত নিবন্ধন কার্যক্রম চলছে। দুই এক দিনের মধ্যেই নিবন্ধন কার্যক্রম সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে আগের সবগুলো ক্যাটাগরি সুরক্ষা অ্যাপে যুক্ত করে দেওয়া হবে।

এ ছাড়া গণটিকা কর্মসূচির ক্ষেত্রে বয়সসীমা কমানো সংক্রান্ত সরকারের সিদ্ধান্তের কথাও জানান অধ্যাপক ডা. খুরশীদ আলম। বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে টিকার জন্য নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বয়সসীমা কমিয়ে ৩৫ বছর করা হয়েছে। এর আগে টিকা গ্রহীতার বয়স সর্বনিম্ন বয়স ছিল ৪০ বছর।