advertisement
আপনি দেখছেন

করোনার তাণ্ডবে কাঁপছে পুরো দেশ। কিছুদিন আগেও ভাইরাসটির হটস্পট চিহ্নিত করে আলাদা আলাদা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এখন আলাদাভাবে সেটা বলার সুযোগও নেই। পুরো দেশই একটা আস্ত হটস্পট অঞ্চলে রূপ নিয়েছে। সব জেলা থেকেই সমানতালে আসছে ভাইরাসটির তীব্র সংক্রমণের তথ্য। উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে প্রত্যন্ত অঞ্চলেও।

bd update 8may

গতকাল (৫ জুলাই) দেশে শনাক্ত এবং মৃত্যুর রেকর্ড হয়েছে একসঙ্গে। ২৪ ঘণ্টায় ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১৬৪ জন। একই সময়ের মধ্যে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে ৯ হাজার ৯৬৪ জনকে। গত ১০ দিন ধরে টানা শতাধিক মানুষ মারা যাচ্ছেন। চলমান কঠোর লকডাউনেও পরিস্থিতির কিছুমাত্র উন্নতি দেখা যায়নি।

দৈনিক সংক্রমণ এবং মৃত্যুর সংখ্যা জানানোর পাশাপাশি গতকাল সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে আরও জানানো হয়েছে, বর্তমানে সংক্রমণের সংখ্যার ৫০ শতাংশেরও বেশি গ্রামের। কিছুদিন আগেও পরিস্থিতি এমনটা ছিল না। অনেকের বদ্ধমূল ধারণা, এই ভাইরাস শুধু শহরের জন্য, কখনো গ্রামে যাবে না। কিন্তু ভাইরাসটি এখন ছড়িয়ে পড়েছে দেশের আনাচে-কানাচে।

corona 3 web

জেলা হাসপাতালগুলোতে জায়গা না পেয়ে অনেকেই চিকিৎসার জন্য রাজধানীর দিকে ছুটছেন। তাছাড়া কয়েকটি জেলায় অক্সিজেন সংকট চরমে উঠেছে। সাতক্ষীরা এবং বগুড়া জেলায় অক্সিজেনের অভাবে কয়েকজন করোনা আক্রান্ত রোগী মারা গেছেন। অক্সিজেন সংকটে রোগীর ভোগান্তির কথা এসেছে পাবনার হাসপাতাল থেকেও।

পুরো দেশই যে হটস্পট হয়ে উঠেছে, তার প্রমাণ বহন করছে জেলা হাসপাতালগুলো। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৯ জন করোনায় আক্রান্ত রোগী। খুলনার করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে এই সময়ের মধ্যে মারা গেছেন ১৭ জন। বগুড়ার তিন হাসপাতাল মিলিয়ে এই সংখ্যা অন্তত ১৯ জন।