advertisement
আপনি দেখছেন

পরিস্থিতি বলছে, প্রাণঘাতী করোনা সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে আক্রমণ শানিয়েছে বাংলাদেশের ওপর। সর্বাত্মক লকডাউনের নবম দিন চললেও সংক্রমণ ও মৃত্যুর হারে তার কোনো প্রভাব পড়েনি। উল্টো প্রতিদিনই রেকর্ড ভাঙছে আগের দিনের। এ অবস্থায় কারফিউর মতো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা প্রয়োজন বলে মনে করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. রোবেদ আমিন।

dr robed aminঅধ্যাপক ডা. রোবেদ আমিন

দেশের একটি শীর্ষ দৈনিকের সঙ্গে আলাপকালে এমন মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নন কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোল এনসিডিসি পরিচালক ও অধিদপ্তরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. রোবেদ। তিনি বলেন, দ্বিতীয় ধাপে কঠোর বিধিনিষেধ চলছে, কিন্তু আমরা তার কোনো ফলাফল দেখতে পাচ্ছি না। এ অবস্থায় বিকল্প ভাবাটা খুব জরুরি হয়ে পড়েছে।

‘প্রথম দুই-তিনদিন মানুষকে ঘরের মধ্যে রাখা গেলেও ধীরে ধীরে লকডাউন শিথিল হয়ে আসে। মানুষকে আর ঘরের মধ্যে রাখা যায় না। চলাফেরা, জমায়েত স্বাভাবিক হয়ে ওঠে। এতে অনেকাংশে অকার্যকর হয়ে পড়ে লকডাউন। এ অবস্থায় মানুষকে ঘরের মধ্যে রাখতে হলে কারফিউ কিংবা ১৪৪ ধারার মতো কঠোর কর্মসূচির বিকল্প দেখি না।’

প্রতিদিন বিকেলে দেশের করোনা পরিস্থিতির হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করে থাকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। গতকালের (৮ জুলাই) আপডেট তথ্যে দেখা গেছে, শেষ ২৪ ঘণ্টায় ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে আরো ১৯৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশে আরো ১১ হাজার ৬৫১ জনকে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে, যা এ পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত।