advertisement
আপনি দেখছেন

দেশে মরণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ১৮৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা গতকালের চেয়ে কিছুটা কম। আগের ২৪ ঘণ্টায় দেশে ২১২ জনের মৃত্যু হয়েছিল। যা এ পর্যন্ত দেশে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৬ হাজার ১৮৯। একই সময়ে দেশে আরো ৮ হাজার ৭৭২ জনকে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। যা গতকালের তুলনায় বেশ কম। আগের ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছিল ১১ হাজার ৩২৪ জন। এ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ ৯ হাজার ৩১৫। 

coronaপ্রতিদিনই দেশে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু, প্রতীকী ছবি

আজ শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কোভিড-১৯ সক্রান্ত নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। দেশে করোনা শনাক্তের পর থেকে প্রতিদিনই পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টার আপডেট জানিয়েছে আসছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ২৬ হাজার ২৩৯টি। নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২৭ হাজার ৮৮৪টি। এর মধ্যে আরো ৮ হাজার ৭৭২ জনকে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। যা গতকালের তুলনায় অনেকটা কম। আগের ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছিল ১১ হাজার ৩২৪ জন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১১ হাজার ৬৫১ জন শনাক্ত হয়েছিল। এ নিয়ে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১০ লাখ ৯ হাজার ৩১৫ জন। এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৬৯ লাখ ৩১ হাজার ১৫২টি। 

sample collection in bangladesবাংলাদেশে করোনার নমুনা সংগ্রহ, ফাইল ছবি

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে আরো ১৮৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা গতকালের তুলনায় অনেকটা কম। আগের ২৪ ঘণ্টায় (৯ জুলাই) ২১২ জনের মৃত্যু হয়েছিল। যা এ পর্যন্ত একদিনে মৃত্যুর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ। গত ৭ জুলাই ২০১ জনের মৃত্যু হয়েছিল। যা এখন পর্যন্ত একদিনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু। এ নিয়ে দেশে মোট ১৬ হাজার ১৮৯ জনের মৃত্যু হলো। ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ১২১ জন পুরুষ এবং ৬৪ জন নারী। এর মধ্যে ১২ জন বাড়িতে এবং বাকিরা হাসপাতালে মারা গেছেন।

২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ৩১ দশমিক ৪৬ শতাংশ। মোট পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৫৬ শতাংশ। 

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার সংক্রমণ থেকে সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ৭৫৫ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৮ লাখ ৬৮ জন ১৩৯ জন।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

গত ২৪ ঘণ্টায় যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে ঢাকা বিভাগেরই ৭০ জন। এ ছাড়া খুলনায় ৫১, চট্টগ্রামে ২০, রাজশাহীতে ১৩, বরিশালে ১০, সিলেটে ৭, রংপুরে ১১ এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ৩ জন মারা গেছেন।