advertisement
আপনি দেখছেন

সবশেষ নির্দেশিকার কথা উল্লেখ করে ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রাসেল বলেছেন, গ্রাহকদের ‘রিফান্ড’ দেয়া সম্ভব নয়, দেরিতে হলেও পণ্যই দেয়া হবে। গতকাল শনিবার মধ্যরাতে ফেসবুক লাইভে এসে এ কথা জানান তিনি। উল্লেখ্য, ইভ্যালিসহ বেশ কিছু ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়ের হিসাব খতিয়ে দেখছে সরকার। এ নিয়ে চলমান অচলাবস্থার মধ্যেই এমন কথা বললেন মোহাম্মদ রাসেল।

evaly bdইভ্যালি, ফাইল ছবি

বলা হচ্ছে, প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দীর্ঘদিনেও পণ্য দিতে না পেরে কিছু গ্রাহককে ‘রিফান্ড চেক’ দেয় ইভ্যালি। চলতি মাসের শুরুতে সেগুলো ক্যাশ হওয়ার কথা থাকলেও দেয়নি ব্যাংক। এর ফলে সেই চেকগুলোর রিফান্ড আটকে গেছে।

গ্রাহকেরা পাওনা টাকা ফেরত চাইলেও তা পরিশোধে ৬ মাস সময় চেয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির এমডি রাসেল। তিনি বলেন, স্বাভাবিকভাবে ব্যবসা করতে পারলে এই সময়ের মধ্যে পুরনো সব অর্ডার শোধ করা সম্ভব হবে। এখন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ও এমডিকে ধরে নিয়ে কালকের মধ্যে এই টাকা শোধ করতে বললেই বিনিয়োগ ফেরত পাওয়া সম্ভব নয়। ছয়টা মাস সুযোগ দেন, ইভ্যালি সবই সফলভাবে শেষ করতে পারবে।

evaly chairman and mdইভ্যালি এমডি মোহাম্মদ রাসেল, ফাইল ছবি

এমন আশার বাণী ও শঙ্কার কথা শুনিয়ে মোহাম্মদ রাসেল বলেন, ধীরে ধীরে লোকসান কমে আসছিল, লাভ হতে শুরু করেছিল। ছাড় ছাড়াই শুক্রবার প্রায় ২০ কোটি টাকার অর্ডার নিশ্চিত করা হয়েছে। অন্য সময়ের ৫০০ কোটি টাকার সমান এই টাকা। এসব অর্ডার যথাসময়ে দিতে হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্কুলার অনুযায়ী, কিছুটা মোডিফিকেশন করতে হবে।

ব্যাংকগুলো অসহযোগিতা করছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, রিফান্ড চেকগুলো পোর্টফোলিওর চেয়ে খুবই কম। তারপরেও তারা আমাদের ব্যাংকের এক্টিভিটিজ কান্টিনিউ করতে পারছে না। এমন অবস্থায় সবদিক থেকে চাপের বিষয়টি সামনে এনে বলা হয়েছে, ইভ্যালি ব্যবসার সুযোগ না পেলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে ভোক্তারাই।