advertisement
আপনি দেখছেন

হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে এক সপ্তাহে ৯১৩ জনের করোনার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয় আরটি-পিসিআর ল্যাবে। এর মধ্যে ৩১১ জনের ফলাফল ‘অকার্যকর’ (না পজিটিভ, না নেগেটিভ) এসেছে। নতুন করে পরীক্ষার জন্য পুনরায় নমুনা জমা দিতে হবে বিপাকে পড়া এসব মানুষকে।

corona test 1করোনা পরীক্ষা, ফাইল ছবি

জেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা দাবি করছেন, ল্যাবের ত্রুটির কারণে ফলাফল অকার্যকর আসছে। সেটি মানতে নারাজ ল্যাব কর্মকর্তাদের দাবি, নমুনা সংগ্রহে ত্রুট হওয়ায় এমটি হচ্ছে। দুই পক্ষ থেকে এমন পাল্টাপাল্টি দোষারোপ এলেও শত শত মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। 

জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয় জানায়, জেলার ৭টি স্থান থেকে নমুনা সংগ্রহ করে আরটি-পিসিআর ল্যাবে পরীক্ষা করা হয়। যার ৭০ শতাংশই আসে সদর হাসপাতাল থেকে। এসব নমুনা সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ল্যাবে পাঠানো হয়। সেখানে পরীক্ষা শেষে জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয় প্রতিবেদন।

corona test bdনমুনা সংগ্রহ, ফাইল ছবি

জেলা হাসপাতালে ২২-২৭ জুলাই সংগ্রহ করা ৯১৩ জনের নমুনাও পরীক্ষার জন্য শাবিপ্রবি ল্যাবে পাঠানো হয়। তাদের ৩১১ জনের ফল ‘অকার্যকর’ দেখা যায় সেখানকার প্রতিবেদনে। সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, ২১ জুলাই ১২২ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়, যাদের ৩৮ জনের ফল ‘অকার্যকর’ আসে। ২০ জুলাই ১৬১ জনের মধ্যে এই সংখাটা ৬২ জন। এই হিসাব বলছে, করোনার নমুনা পরীক্ষার ফলের এক-তৃতীয়াংশই অকার্যকর আসছে।

এর পেছনে অনেকগুলো কারণ থাকতে পারে বলে মনে করেন শাবিপ্রবির ল্যাব ইনচার্জ ও সহকারী অধ্যাপক নুরুন্নবী আজাদ। তবে ভালোভাবে নমুনা সংগ্রহ করে দ্রুত ল্যাবে পাঠানো হলে এই সমস্যা থাকার কথা নয়, উল্লেখ করেন তিনি। হবিগঞ্জের ডেপুটি সিভিল সার্জন মুখলেছুর রহমান বলছেন, নমুনা সংগ্রহের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা নেই। ফল অকার্যকর আসছে ল্যাবের ত্রুটির কারণে।