advertisement
আপনি দেখছেন

করোনা সংক্রমণের চলতি ঢেউ নিয়ন্ত্রণে সবশেষ গত ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট মধ্যরাত পর্যন্ত দেশব্যাপী সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা করা হয়। চলমান এই বিধিনিষেধ এর পরেও বাড়ানো হবে কি না- তা নিয়ে এক ধরনের ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কথা বলার পর আজ বুধবার সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

lockdown 2021 2লকডাউন, ফাইল ছবি

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, একবারে নয়, ধাপে ধাপে সব খোলা হবে। একসঙ্গে সব খোলা হবে না, ধীরে ধীরে সব খোলা হবে। এভাবে তো আমরা বাঁচতে পারব না, সবারই সবার জায়গা থেকে চেষ্টা করা উচিত।

প্রথম দিকে অর্ধেক জনবল দিয়ে অফিস চালানোর বিষয়ে জানতে চাইলে ‘হ্যাঁ এ রকমই’ উত্তর দেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, সবাইকে মাস্ক পরতে হবে, কাজও করতে হবে। টিকা নিয়ে যে সংকট দেখা দিয়েছিল, তা কেটে গেছে। সবাইকে এখন টিকার আওতায় আনা হবে।

farhad hossainফরহাদ হোসেন, ফাইল ছবি

চলতি মাসে গার্মেন্টস কারখানা খোলার সম্ভাবনা ‘খুবই কম’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুই সপ্তাহ পর রপ্তানিমুখী সব শিল্প-কারখানা খুলে দেয়া হবে। তার আগে অর্থাৎ আগামী ১ আগস্ট থেকে গার্মেন্টস খোলা যাবে কিনা, সেটিও পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে বলে মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী।

এদিকে, মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে লকডাউনের কোনো বিকল্প নাই। তাই সবাইকে লকডাউন মানাতে হবে, এটি বাস্তবায়নে আরো কঠোর হতে হবে। জনগণকেও সচেতন হতে হবে। সংক্রমণ ঠেকানো না গেলে মৃত্যু কমবে না, হাসপাতালেও ঠাঁই হবে না।

আগে জীবন, তারপর অর্থনীতি মন্তব্য করে তিনি আরো বলেন, জীবন বাঁচাতে হলে সবাইকে লকডাউন মানতে হবে, টিকা নিতে হবে, সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা ও মাস্ক পরতে হবে। কিন্তু রাস্তায় মানুষ চলাচল করছে, গাড়ি বের হচ্ছে। এতে লকডাউন ব্রেক করছে, যা খুবই দুঃখের বিষয়। এভাবে নিজেরা নিজেদের ক্ষতি করছি আমরা।