advertisement
আপনি দেখছেন

আগামীকাল সোমবার (২ আগস্ট) থেকে রাজধানী ঢাকা এবং ঢাকা বিভাগের সব জেলায় শুরু হচ্ছে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার দ্বিতীয় ডোজ প্রয়োগের কার্যক্রম। একই সঙ্গে সারাদেশে আগামী সপ্তাহ থেকে এই টিকার দ্বিতীয় ডোজের প্রয়োগ কর্মসূচি শুরু হবে।

astrazeneca vacc file photoসোমবার ঢাকায় অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা দেওয়া শুরু, ফাইল ছবি

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত করোনা বিষয়ক বুলেটিনে আজ রোববার এই তথ্য জানানো হয়। করোনার টিকা ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য সচিব ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লাইন ডিরেক্টর (এমএনসি অ্যান্ড এএইচ) ডা. শামসুল হক এদিন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, কোভ্যাক্সের মাধ্যমে জাপান থেকে ইতোমধ্যে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার সোয়া ১০ লাখ ডোজ টিকা দেশে এসে পৌঁছেছে। এ ছাড়া আগামী মঙ্গলবার জাপানের দেওয়া অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার আরো সোয়া ৬ লাখ ডোজ দেশে আসবে। এর মাধ্যমে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার দ্বিতীয় ডোজের যে ঘাটতি ছিল সেটা পূরণ হবে। ফলে টিকাটির প্রথম ডোজ নিয়ে দ্বিতীয় ডোজের জন্য যারা অপেক্ষা করছেন তাদের সেই অপেক্ষার অবসান হবে।

health minister recieved japan vaccশনিবার জাপান থেকে আসে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা আরো বলেন, ঢাকা বিভাগের সব জেলায় আগামীকাল সোমবার (২ আগস্ট) এবং আগামী সপ্তাহ থেকে দেশের সব টিকা কেন্দ্রে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার ঘাটতি পূরণ প্রক্রিয়া শুরু হবে। এক্ষেত্রে প্রথম ডোজ নেওয়ার পর যারা অপেক্ষা করছেন তাদের মোবাইল ফোনে ক্ষুদে বার্তা পাঠানো হবে। অবশ্য ইতোমধ্যে যাদের দ্বিতীয় ডোজের জন্য এসএমএস পাঠানো হয়েছে, কিন্তু টিকা পাননি তাদের দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার ক্ষেত্রে এসএমএস পাঠানোর প্রয়োজন হবে না।

এর আগে গতকাল শনিবার জাপান সরকারের উপহার হিসেবে দেওয়া অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার দ্বিতীয় চালান হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসে। তার আগে গত ২৪ জুলাই প্রথম ধাপে কোভ্যাক্সের মাধ্যমে জাপান থেকে ২ লাখ ৪৫ হাজার ২০০ টিকা বাংলাদেশে আসে। এ ছাড়া আগামী ৪ আগস্ট জাপান থেকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার তৃতীয় চালান আসার কথা রয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে বাংলাদেশে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার ভারতীয় সংস্করণ কোভিশিল্ড দিয়ে গণটিকা কার্যক্রম শুরু হয়। কিন্তু পরবর্তীতে ভারত সরকারের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার কারণে আর টিকা না আসায় প্রথম ডোজ পাওয়াদের মধ্যে ১৫ লাখ ২১ হাজার ব্যক্তি দ্বিতীয় ডোজ পাননি। তারা এখন দ্বিতীয় ডোজের জন্য অপেক্ষা করছেন।