advertisement
আপনি দেখছেন

দেশে প্রাণঘাতী করোনার সংক্রমণ এখন তুঙ্গে। দিনশেষে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরাতে মৃত্যুর যে সংখ্যা পাওয়া যায়, সেটা মূলত হাসপাতালে মারা যাওয়া সংখ্যা। এছাড়া ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে বাড়িতে যে পরিমাণ মানুষ মারা যাচ্ছে, সেটা থাকছে হিসেবের বাইরে। কারণ- স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, হাসপাতালে যত করোনা রোগী চিকিসাধীন, তারচেয়ে ১০ গুণ বাড়িতে অবস্থান করছেন।

bd update 8may

করোনা পজিটিভ হওয়ার পর বাড়িতে থেকেই চিকিৎসা নিচ্ছেন অধিকাংশ মানুষ। তারপর রোগীর অবস্থা গুরুতর হওয়ার পর হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান অনেকে। আবার হাসপাতালে জীবিত পৌঁছানো হলেও রোগীর অবস্থা এমন থাকে যে, চিকিৎসকদের কিছুই করার থাকে না। এমন মৃত্যুর সংখ্যা বিশ্লেষণ করেও বাড়িতে মৃত্যুর সংখ্যা আঁচ করা যায়।

জনস্বাস্থ্যবিদরা বলছেন, সাধারণ মানুষের মধ্যে হাসপাতাল নিয়ে একটা ভীতি আছে। তারা মনে করেন, টাকা খরচ হবে, কিন্তু চিকিৎসাটা যথাযথ হবে না। এর বাস্তবতাও যে নেই তা নয়। গ্রামের পরিস্থিতি আরও খারাপ। প্রান্তিক অঞ্চলের মানুষ কোনোভাবেই হাসপাতালমুখো হতে চায় না। মৃত্যুর আগ মুহূর্তে টনক নড়লেও তাতে আর কোনো লাভ হয় না।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেন, মূলত অক্সিজেনের মাত্রা দিয়েই একজন রোগীর কন্ডিশন বোঝা যায়। সেজন্য প্রয়োজন হয় অক্সিমিটারের। কিন্তু বাড়িতে সেটা থাকে না। তাতে করে নীরবে অক্সিজেনের মাত্রা কমে গেলেও রোগী কিংবা স্বজনরা সেটা বুঝতে পারেন না।

‘তারপর রোগীর অবস্থা যখন খুবই ক্রিটিক্যাল কিংবা মৃত্যুর ঠিক আগের কিছু সিম্পটম দেখা দেয়, তখন দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসে বটে, তবে তাতে কোনো কাজ হয় না।’ বলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।