advertisement
আপনি দেখছেন

চীনের সিনোফার্মের কোভিড-১৯ প্রতিরোধী টিকা বাংলাদেশে যৌথভাবে উৎপাদনের বিষয়ে বেশ কিছু দিন ধরে আলোচনা চলছে। এবার সে বিষয়ে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি তথা সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) একটি খসড়া পাঠিয়েছে চীনা কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

sinopharm vacc chinaচীনের সিনোফার্মের টিকা, ফাইল ছবি

জানা যায়, এ খসড়ায় প্রথমে সম্মতি প্রদান করে স্বাক্ষর করবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এর পর তিন পক্ষ তথা বাংলাদেশ সরকার, চীনা কোম্পানি সিনোফার্ম এবং দেশীয় ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ইনসেপ্টার মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তি হবে। যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষ হলে দ্রুত সময়ের মধ্যেই বাংলাদেশে সিনোফার্মের টিকার যৌথ উৎপাদন শুরু হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এদিকে, বিষয়টি নিয়ে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং সোমবার (২ আগস্ট) পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সাক্ষাৎ করেন। পরে এ বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

dhaka beijing meeting over crisisঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, ফাইল ছবি

ড. মোমেন বলেন, তাদের (চীন) রাষ্ট্রদূত এসেছিলেন। আমাকে তারা জানিয়েছেন যে, বিশ্বব্যাপী তাদের টিকার চাহিদা রয়েছে। ইতোমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে টিকার বিষয়ে তাদের চুক্তিও সম্পন্ন হয়েছে। তাই আগে থেকে চাহিদা না জানালে পরে টিকার সরবরাহ বিঘ্নিত হতে পারে। তারা (চীন) চান, সাপ্লাই লাইনটা মসৃণ থাকুক। আমি (পররাষ্ট্রমন্ত্রী) তাদের এই মতামত এক্সসেপ্ট (গ্রহণ) করেছি। কারণ যেহেতু এ ব্যাপারে আগে আমাদের একটা বাজে অভিজ্ঞতা (সম্ভবত ভারতের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার কারণে টিকা সংকট) হয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এর পরই আমাদের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে টিকার যৌথ উৎপাদনের বিষয়ে এমওইউ পাঠিয়েছে চীন। এ বিষয়ে তাদের (স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়) কাজ শুরু করে দেওয়ার কথা। ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও সিনোফার্ম এ বিষয়ে কাজ শুরু করবে। ইনসেপ্টা বাল্ক আনবে। বোটলিং লেভেলিং ও ফিনিশিং কাজ করবে।

ড. আব্দুল মোমেন আরো বলছেন, টিকার যৌথ উৎপাদনের বিষয়ে আর দেরি করা ঠিক হবে না। কারণ চুক্তি সই করার পরও অন্তত দুই মাস সময় লাগবে। আর এক্ষেত্রে একদিন নষ্ট মানে বেশ সময় নষ্ট।