advertisement
আপনি দেখছেন

করোনা মহামারির মধ্যে দেশের একের পর এক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এরইমধ্যে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে এই খাতের সন্দেহভাজন ৬০টি প্রতিষ্ঠানের তালিকা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ, সিআইডি। এরমধ্যে ৩০-৩২টির ওপর নজরদারি করছে সংস্থাটি।

e commerce cidই-কমার্স ও সিআইডি, ফাইল ছবি

আজ সোমবার সিআইডির সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার ইমাম হোসেন। গ্রাহকদের অভিযোগের ভিত্তিতে করা তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

অভিযোগের বিষয়ে সিআইডি কর্মকর্তা ইমাম হোসেন বলেন, অনেকে অগ্রিম টাকা দিয়ে পণ্য কিনে দিনের পর দিন ঘুরেও পণ্য পাননি। ভুক্তভোগীদের থানায় করা মামলার তথ্যের আলোকে তালিকা ধরে তদন্ত করা হবে। যেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা মিলবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

e commerce cid 1সিআইডির ব্রিফিং

সম্প্রতি ১১টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব তলব করে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট, বিএফআইইউ। এর মধ্যে কিছু কোম্পানির ব্যাংক হিসাব স্থগিত করা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে- ধামাকা শপিং, আলিশা মার্ট, সিরাজগঞ্জ শপ, আলাদিনের প্রদীপ, বুম বুম, আদিয়ান মার্ট, নিডস, কিউকম, দালাল প্লাস, ই-অরেঞ্জ ও বাজাজ কালেকশন।

এর আগে অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের হিসাব জব্দ করার অনুরোধ জানিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে চিঠি পাঠায় সিআইডি। তার ভিত্তিতে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাংক হিসাব তলব করে বিএফআইইউ। অভিযোগ রয়েছে- এসব প্রতিষ্ঠান ‘অস্বাভাবিক’ অফার দিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে অগ্রিম টাকা নিয়ে ঠিকমতো পণ্য সরবরাহ করেনি। পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বকেয়া পাওনাও দীর্ঘদিন ধরে পরিশোধ করা হচ্ছে না।