advertisement
আপনি পড়ছেন

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ধরন ওমিক্রন বেড়ে গেছে। তবে বাংলাদেশে পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। এ জন্য ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত বন্ধ করার পরিকল্পনা নেই। একই সঙ্গে আপাতত লকডাউন আরোপেরও কোনো চিন্তা-ভাবনা নেই।

omicron bangladeshভারতে করোনার ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হলেও সীমান্ত বন্ধের পরিকল্পনা নেই

সাভারের বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব হেলথ ম্যানেজমেন্টের নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শনে এসে আজ রোববার, ৫ ডিসেম্বর, এ কথা বলেন তিনি। এ সময় অন্যদের মধ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিজি অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মাদ খুরশীদ আলম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তাই নতুন করে দেশে লকডাউনের চিন্তা-ভাবনা নেই। প্রবাসীদের উদ্দেশে জাহিদ মালেক বলেন, আপনারা যারা বিদেশে আছেন, তারা যেখানে আছেন সেখানেই নিরাপদে থাকুন। যারা এখন বিদেশে আছেন এই মুহূর্তে তাদের দেশে না আসাই ভালো। তারা যেন সংক্রমিত হয়ে দেশে না আসেন। ভারত সীমান্ত বন্ধের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি বলেও উল্লেখ তিনি। যদিও ভারতে ইতোমধ্যে কয়েকজনের শরীরে ওমিক্রন শনাক্ত হয়েছে।

jahid malek savarঅনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক

জাহিদ মালেক বলেন, বিদেশ থেকে যারা দেশে আসবেন তাদেরও দায়িত্ব রয়েছে। কারণ নিজেদের পরিবারকে যেমন নিরাপদে রাখতে হবে, তেমনি দেশকেও সুরক্ষিত রাখতে হবে। সুতরাং যেখানে আপনারা আছেন সেখানেই নিরাপদে থাকুন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে যারা ৬০ বছরের বেশি বয়সী আছেন তাদের সবাইকে বুস্টার ডোজ দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে অনুমোদন দিয়েছেন। ইতোমধ্যে বিশ্বের অনেক দেশেই বুস্টার ডোজ দেওয়া শুরু হয়েছে, সেটা আপনারা জানেন। বুস্টার ডোজের কার্যক্রম শুরু হয়েছে ভারতসহ পার্শ্ববর্তী কয়েকটি দেশেও। আমাদেরও টিকার কোনো অভাব নেই। সুতরাং আমরাও বুস্টার ডোজ দিতে পারব ইনশাআল্লাহ।

জাহিদ মালেক আরো বলেন, আমাদের দেশ ভালো আছে, নিরাপদে আছে। ইতোমধ্যে আমরা করোনার পরীক্ষা এবং কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা জোরদার করেছি। আপনারা দেখছেন, এখন আমরা দুই থেকে তিন জনের মৃত্যুর খবর শুনছি। এই অবস্থা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশে মৃত্যুর হার শূন্য হবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, আক্রান্তরা যদি দ্রুত চিকিৎসা নেয়, আমরা যদি সচেতন থাকি তাহলে মৃত্যুর হার শূন্যে নেমে আসবে। টিকা নেওয়া হলে তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে, ফলে সে নিরাপদে থাকবে। এমনকি যদি আক্রান্তও হয়, তাহলে চিকিৎসা নিলে সেরে উঠবে। দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থাও এখন অনেক উন্নত।