advertisement
আপনি পড়ছেন

দেশে গত মঙ্গলবার থেকে করোনা টিকার বুস্টার ডোজ দেয়া শুরু হয়েছে। তবে বৃহৎ পরিসরে নয়, প্রাথমিকভাবে সীমিতভাবে রাজধানী ঢাকাসহ পাঁচটি বিভাগে এই টিকা দেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, বুস্টার ডোজের টিকা বেছে নেওয়ার কোনো সুযোগ থাকছে না। যে কেন্দ্রে যখন যে টিকা থাকবে সেটাই নিতে হবে।

booster doseবুস্টার ডোজ

জানা গেছে, টিকা বিষয়ক ন্যাশনাল ইমিউনাইজেশন টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজরি গ্রুপের (নাইট্যাগ) পরামর্শে বুস্টার ডোজের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ফাইজার, মডার্না ও অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকাকে বেছে নিয়েছে। এরপর বুস্টার ডোজের ব্র্যান্ড কী হবে, প্রথম দুইবারে দেয়া ডোজেই হবে, নাকি ভিন্ন কিছু, পছন্দের ব্র্যান্ড নেয়া যাবে কি না- এসব প্রশ্ন উঠেছে।

এর প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, যিনি যে কেন্দ্রে এর আগে টিকা নিয়েছেন, সেই কেন্দ্রে উল্লিখিত তিন টিকার মধ্যে যেটি মজুত থাকবে, তাকে সেই টিকাই দেওয়া হবে। এখানে ভিন্ন কোনো অপশন নেই। আর বুস্টার ডোজ নিতে হলে টিকা গ্রহীতাকে অবশ্যই এর আগে দেওয়া টিকার কার্ড সঙ্গে করে কেন্দ্রে আসতে হবে।

booster dose in bangladeshবাংলাদেশেও দেয়া শুরু হয়েছে বুস্টার ডোজ

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে দেশে ষাটোর্ধ্ব ও ফ্রন্টলাইনাদের বুস্টার ডোজ দেওয়া হচ্ছে। তবে দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার ছয় মাস পার হওয়ার পরই বুস্টার ডোজ দেয়া হচ্ছে। এই তালিকায় যারা রয়েছেন, টিকাকেন্দ্র থেকে তাদের মোবাইল ফোনে তৃতীয় বা বুস্টার ডোজের জন্য এসএমএস যাবে।

এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভ্যাকসিন ডেপ্লয়মেন্ট কমিটির সদস্য সচিব ডা. শামসুল হক গণমাধ্যমকে বলেন, বুস্টার ডোজ বাছাইয়ের কোনো সুযোগ না থাকার কারণ হচ্ছে, সব জায়গায় সব টিকা নেয়া যাচ্ছে না। সবাই হয়তো ফাইজার চাইবে, কিন্তু ফাইজারের মতো সেনসিটিভ টিকা সব জায়গায় নেওয়া যাবে না। তাই যে যেখানে আগে টিকা নিয়েছিলেন, সেখানে যে টিকা থাকবে সেটাই নিতে হবে। এতে কারও সংশয় বা উদ্বেগের কিছু নেই।

গত ১৯ ডিসেম্বর দেশে পরীক্ষামূলকভাবে বুস্টার ডোজের কার্যক্রম শুরু হয়। ২৮ ডিসেম্বর এ কার্যক্রম শুরু হয় জাতীয়ভাবে।