advertisement
আপনি পড়ছেন

গেলো বছরের ১০ ডিসেম্বর র‌্যাব এবং বাহিনীটির বর্তমান ও সাবেক ৭ শীর্ষ কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্রের রাজস্ব ও পররাষ্ট্র বিভাগ। গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে নেওয়া এমন কড়া পদক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বাংলাদেশ।

abdul momen rabএ কে আব্দুল মোমেন ও র‌্যাব, ফাইল ছবি

ওই ঘটনা সামনে আসার পরই ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলারকে তলব করে ব্যাখ্যা চায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এছাড়া নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত পর্যালোচনার জন্য মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনকে চিঠি দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। 

আজ বুধবার জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে ‘মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে সময় লাগবে’ বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এটি প্রসেস হতে সময় লাগবে, সেজন্য ধৈর্য ধরতে হবে।

parliament session 11th parliamentসংসদ অধিবেশন, ফাইল ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একাধিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী আশা করেন, সঠিক তথ্য তাদের কাছে পৌঁছাতে পারলে র‌্যাবের মতো ভালো প্রতিষ্ঠানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে, ইনশাল্লাহ। সারা পৃথিবীতে সন্ত্রাসী সংস্থা হিসেবে বিবেচিত হওয়ার মতো কোনো কাজ করেনি র‌্যাব, তারা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কাজ করছে। দেশে সন্ত্রাসী তৎপরতা কমেছে, তা ওয়াশিংটনও বলেছে।

যুক্তরাষ্ট্রে বিএনপি-জামায়াত ও সরকারের ‘লবিস্ট নিয়োগের’ বিষয়ে অবস্থান জানাতে বিবৃতিটি দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন। তিনি বলেন, কয়েক বছর ধরে প্রতিপক্ষের লবিস্টরা র‌্যাবের বিরুদ্ধে মার্কিন সরকারের কাছে মিথ্যা তথ্য দিয়েছে। ‘র‌্যাব খুব খারাপ’ বলে বিশ্বের বড় মানবাধিকার সংস্থাগুলোকেও প্রতিনিয়ত ফিডব্যাক করছে।