advertisement
আপনি পড়ছেন

আমাদের দেশে খনিজ সম্পদের পরিমাণ কম। তাই খনিজ সম্পদ নয়; মেধাবী প্রজন্ম, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও উচ্চগতির ইন্টারনেট এই তিনের সমন্বয়ে গড়ে উঠবে স্মার্ট বাংলাদেশ। ২০৪১ সালের মধ্যেই স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে কাজ করছে সরকার। সোমাবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত মোবাইল গেম ও অ্যাপ্লিকেশন প্রকল্পের দক্ষতা উন্নয়নের সার্টিফিকেট প্রদান ও সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কথাগুলো বলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

ict minister palakতথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, ফাইল ছবি

তিনি বলেন, সৃজনশীলতার সঙ্গে প্রযুক্তির মিশ্রণ ঘটিয়ে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে তরুণদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছে আইসিটি বিভাগ। এরই অংশ হিসেবে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলাতে একটি মোশন গ্রাফিক্স এনিমেশন ল্যাব এবং আইসিটি টাওয়ারে আরও একটি মোশন গ্রাফিক্স এনিমেশন ল্যাব স্থাপন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, সনদমুখী নয় দক্ষতা নির্ভর শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে আমরা এই অত্যাধুনিক মোশন গ্রাফিক্স ল্যাব স্থাপন করব। যেখানে সকলের অ্যাকসেস থাকবে। ওই ল্যাবে বসে যে কেউ তার স্বপ্নের গেম তৈরি করতে পারবে। এখান থেকে বিশ্বমানের গেম তৈরি করে তারা যেনো গেমিং বিশ্বে নেতৃত্ব দিতে পারে সে জন্য সবধরনের সহায়তা করবে আইসিটি বিভাগ।

গেমিং ইন্ডাস্ট্রি এখন বলিউড ইন্ড্রাস্ট্রি থেকেও বড় হয়ে উঠেছে উল্লেখ করে পলক বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশের গড় আয় ১২ হাজার ডলারে উন্নীত করতে বাণিজ্য বহুমুখীকরণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিল্প হচ্ছে আইসিটি শিল্প। তাই ২০২৫ সালের মধ্যে আইসটি খাত থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয় ও ৩০ লাখ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে আমরা দক্ষতা উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের পাশাপাশি গেমিং ইন্ডাস্ট্রিতে মনোযোগ দিয়েছি। এরই অংশ হিসেবে মোবাইল গেমস অ্যান্ড অ্যাপ ডেভেরপারদের বিশ্বমানের গেম তৈরির সুযোগ করে দিতে ল্যাবগুলো তৈরি করতে যাচ্ছি।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আইসিটি বিভাগের মোবাইল অ্যাপস অ্যান্ডস গেমস প্রকল্প প্রধান আনোয়ারুল ইসলাম এবং জেনেক্স ইনফোসিস পরিচালক আয়ূবুর রহমান।