advertisement
আপনি দেখছেন

দেশে নভেল করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে গত মার্চ মাসে বন্ধ হয়ে যায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি)। একই সঙ্গে বন্ধ ঘোষণা করা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল ও ছাত্রাবাস। এতে স্থগিত হয়ে যায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের বিভিন্ন বিভাগের পরীক্ষা। দীর্ঘ আট মাস স্থগিত থাকার পর এবার স্বাস্থ্যবিধি মেনে এসব পরীক্ষা নেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে চবি কর্তৃপক্ষ।

chittagong university shuttle trainচট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি)- ফাইল ছবি

আজ রোবাবর অনুষ্ঠিত হওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. এ আর মল্লিক প্রশাসনিক ভবনে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। পরে গণমাধ্যমকে সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এস এম মনিরুল হাসান।

তিনি বলেন, আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে করোনার কারণে স্থগিত হয়ে যাওয়া স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের বিভিন্ন বিভাগের পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনেই এসব পরীক্ষা নেওয়া হবে।

coronaকরোনাভাইরাস- প্রতীকী ছবি

তিনি আরো জানান, এখন প্রতিটি বিভাগের সভাপতিমণ্ডলীগণ নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করে সুবিধামতো সময়ে স্থগিত পরীক্ষাগুলো নিয়ে নিবেন। তবে আবাসিক হল ও ছাত্রাবাস আগের মতোই বন্ধ থাকবে। করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত সেগুলো খোলা হবে না।

ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার আরো বলেন, প্রথমে স্থগিতকৃত স্নাতক শেষ বর্ষ ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের পরীক্ষাগুলো নেওয়া হবে। তারপর পর্যায়ক্রমে অন্যান্য বর্ষের স্থগিত হয়ে যাওয়া পরীক্ষাগুলো নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত ১৮ মার্চ করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে চবির সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পরবর্তীতে গত অক্টোবর মাসে ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব কিছুটা কমলে শিক্ষার্থীরা স্থগিত পরীক্ষা নিয়ে নেওয়ার দাবিতে দুই দফা মানববন্ধন করেন।

sheikh mujib 2020