advertisement
আপনি দেখছেন

বিয়ের মাধ্যমে জীবনের নতুন অধ্যায়ের শুরু হয় তাই এ নিয়ে মানুষের প্রত্যাশা স্বাভাবিকভাবেই একটু বেশি থাকে। বিয়েবাড়ি মানেই চোখে ভেসে ওঠে আলো ঝলমলে বাড়ি, অতিথি আপ্যায়ন কিংবা পরিবারের সদস্যদের ছোটাছুটি। কিন্তু গুরুস্বামী ও নেত্রাবতীর ক্ষেত্রে এমনটি হয়নি। অন্ধকার, স্যাঁতস্যাতে ও সামান্য মোমের আলোতে তারা বিয়ে করেছেন। তাও আবার অ্যাম্বুল্যান্সে করে।

 marriage in ambulances

ভারতের বেঙ্গালুরু থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরে চিত্রদুর্গা জেলার বাসিন্দা ফাইনাল ইয়ারের নার্সিং ছাত্রী নেত্রাবতীর সঙ্গে উইন্ডমিল প্রজেক্টে কাজ করা একই অঞ্চলের বাসিন্দা গুরুস্বামীর সম্পর্ক শুরু হয় গত বছর থেকে। গত ২৬ মে চিত্রদুর্গাতে আয়োজিত এক গণবিবাহে বিয়ে করবেন বলে ঠিক করেন তারা। কিন্তু, ভাগ্যের পরিহাস, বিয়ের দিন তিনেক আগে গত ২৩ মে গুরুস্বামী ও নেত্রাবতী ঐতিহাসিক চিত্রদুর্গা দুর্গে ঘুরতে যান। হঠাৎ ফোর্টের ভিতর পড়ে গিয়ে শিরদাঁড়া ও কোমরে গুরুতর চোট পান নেত্রাবতী। বেঙ্গালুরুর এক বেসরকারি হাসপাতালেভর্তি করা হয় তাকে।

এমন ঘটনায় কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েন গুরুস্বামী। বিয়ের আগে এমন বাধা মেনে পারছিলেন না তিনি। সিদ্ধান্ত নেন নির্ধারিত দিনেই নেত্রাবতীকে বিয়ে করবেন। তার এ সিদ্ধান্তে কনে নেত্রাবতী ছাড়াও পরিবার ও বন্ধুবান্ধব সায় দেন।

বিয়ের দিন ২০০ কিলোমিটার অ্যাম্বুল্যান্স যাত্রা করে চিত্রদুর্গার গণবিবাহ মঞ্চে পৌঁছান তারা। অ্যাম্বুল্যান্সের ভেতরে স্ট্রেচারে শোয়ানো কনে আর বর অ্যাম্বুল্যান্সের বাইরে দাঁড়ানো। এভাবেই গণবিবাহের দায়িত্বে থাকা স্বামী মুর্গামট বিয়ে সম্পন্ন করেন। বিয়ের অানুষ্ঠানিকতা শেষে ফের অ্যাম্বুল্যান্সেই হাসপাতালে ফিরে গেছেন নবদম্পতি।

আপনি আরও পড়তে পারেন

দোকান থেকে টাকা নিয়ে বানরের চম্পট!

বাংলাদেশের আশীষ পালের বিদ্যুৎবিহীন এসি

৯৬ বছর বয়সে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি, রেকর্ড বুকে নাম

বাদুড়ের হামলায় শহরে জরুরি অবস্থা ঘোষণা

গরমে অতিষ্ঠ হয়ে সূর্যের বিরুদ্ধে মামলা!

sheikh mujib 2020