advertisement
আপনি দেখছেন

ইসলামের দৃষ্টিতে বিয়ে শুধু দুনিয়ার কল্যাণ নয় আখেরাতের অফুরন্ত কল্যাণের চাবিকাঠিও। বিয়েকে ইসলাম ‘ধর্মের অর্ধেক’ বলে ঘোষণা করেছে। ইসলামী সমাজের কোনো সদস্য যৌক্তিক কারণ ছাড়া বিয়ে থেকে বিরত থাকা নিন্দনীয়। এক হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘বিয়ে হলো আমার সুন্নাত। যে আমার সুন্নাত পালন করবে সে যেন আমাকেই ভালোবাসলো। আর যে আমাকে ভালোবাসে সে জান্নাতে আমার সঙ্গেই থাকবে।’

marriage in islam

বিয়ে সম্পর্কে হাদিস শরিফে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। হাদিসের আলোকে বিয়ের পাঁচটি ফজিলত জেনে নিই আসুন।

১. বিয়ে মানুষের চোখ সংযত করে, লজ্জাস্থান হেফাজত করে

রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘হে যুবসমাজ! তোমাদের মধ্যে যারা বিয়ে করার সামর্থ্য রাখো, তারা যেন দ্রুত বিয়ে করে ফেলে। বিয়ে চোখ সংযত রাখে, লজ্জাস্থান সংরক্ষণ করে । যার বিয়ে করার সামর্থ্য নেই সে যেন রোজার রেখে নিজের চাহিদাকে সংযত করে।’ মুসলিম।

২. বিয়ে পরকীয়া-অবৈধ প্রেমের দুয়ার বন্ধ করে দেয়
রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যদি অন্য নারী দেখে তোমাদের মনে কুধারণা জন্মে, তোমরা তোমাদের স্ত্রীর কাছে যাও, তার সঙ্গে সময় কাটাও। তাহলে তোমাদের মন থেকে পাপের ইচ্ছে চলে যাবে।’ মুসলিম।

আরেকটি হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, স্ত্রী ছাড়া অন্য কোনো বেগানা নারীর প্রতি যদি তোমাদের প্রেম জাগে, তাহলে জানবে এটা শয়তানের কাজ। এমন হলে তোমার স্ত্রীকে সময় দাও, সে তোমার কামনা-বাসনা পূরণের জন্য বৈধ সঙ্গী।’ মুসলিম।

islamic couple

৩. বিয়ের মাধ্যমে দ্বীনের অর্ধেক পূর্ণ হয়ে যায়

রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘কেউ যদি বিয়ে করে, তাহলে ধর্মের অর্ধেক দায়িত্ব পালন করা তার জন্য সহজ হয়ে গেলো। সে যেন বাকি অর্ধেক দায়িত্ব সম্পর্কেও সচেতন থাকে।’ মিশকাতুল মাসাবিহ।

৪. বিয়ে করলে আল্লাহর সাহায্য পাওয়া যায়

রাসুল (সা.) বলেন, ‘তিন ব্যক্তিকে সাহায্য করা আল্লাহর দায়িত্ব-

১. যে দাস তার মনিবের সঙ্গে মুক্তির জন্য চুক্তি করেছে,

২. যে ব্যক্তি গোনাহ থেকে বাঁচার জন্য বিয়ে করেছে এবং

৩. যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে জিাহাদ করছে।’ নাসায়ি।

৫. বিয়ে উম্মতের সংখ্যা বাড়িয়ে দেয়

রাসুল (সা.) বলেন, ‘তোমরা প্রেমময় এবং সুস্থ দেহের নারী বিয়ে করো। বেশি সন্তান জন্ম দাও। কেয়ামতের দিন আমি আমার উম্মতের সংখ্যাধিক্যের কারণে অন্য নবীর সামনে গর্ব করব।’ আদাবুজ জিফাফ।

sheikh mujib 2020