advertisement
আপনি দেখছেন

রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘আসসালাতু মিরাজুল মোমিনিন। নামাজ হলো মোমিনদের জন্য মিরাজ।’ আরো বলেছেন, ‘নামাজরত একজন বান্দা তার প্রভুর সঙ্গে কথা বলে।’ নামাজে দাঁড়ানো ব্যক্তির অনুভূতি এমন হওয়া উচিত যেন, সে আল্লাহকে দেখছে। মনের হালত যদি এই স্তরে না পৌঁছে তাহলে রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘অন্তত এতটুকু ভাবো যে, আল্লাহ তোমাকে দেখছেন।’

prayer believer

নামাজে এমন কিছু কাজ আছে, যেগুলো শরিয়তের আলোকে হারাম বা নিষিদ্ধ নয়, কিন্তু দৃষ্টিকটু। নামাজ কবুল হওয়ার জন্য এ বিষয়গুলো নজরে রাখা গুরুত্বের দাবি রাখে। এমন কয়েকটি বিষয় নিয়েই নিচে আলোচনা করা হলো-

১. এমন পোষাক পড়ে নামাজ আদায় করা, যে পোষাক পড়ে মানুষের সামনে যেতে লজ্জা হয়। ফকিহরা বলেন, মানুষ যে পোষাক পছন্দ করবে না, সে পোষাক পড়ে একজন মোমিন কীভাবে আল্লাহর সামনে দাঁড়াবে? কারো যদি অন্য পোষাক না থাকে তাহলে ভিন্ন কথা।

২. দুর্গন্ধ পোষাক কিংবা দুর্গন্ধ শরীরে নামাজে দাঁড়ানো মাকরূহ। এক হাদিসে এসেছে, নামাজীর মুখের দুর্গন্ধের কারণে ফেরেশতারা কষ্ট পায়।

৩. কোনো কোনো ফকিহ বলেছেন, ময়লা টুপি বা ছেঁড়া টুপি পড়ে নামাজ আদায় করা মাকরূহ।

৪. হানাফি আলেমদের মতে, যদিও রাসুল (সা.) এবং সাহাবিরা জুতা পায়ে দিয়ে নামাজ পড়েছেন, কিন্তু আজকের যুগে জুতা পড়ে নামাজ পড়া মাকরূহ।

৫. ফকিহরা বলেছেন, পেশাব-পায়খানার চাপ নিয়ে নামাজ পড়া মাকরূহে তাহরিমি। নামাজের মাঝে যদি চাপ শুরু হয় আর এ কারণে নামাজে মনোযোগ ছুটে যেতে থাকে, তাহলে নামাজ ছেড়ে দিয়ে চাপমুক্ত হয়ে এসে আবার নতুন করে নামাজ আদায় করতে হবে।

masjid quba

৬. কোনো কোনো ফকিহর মতে, ঘোর অন্ধকারে নামাজ আদায় করা মাকরূহ।

৭. জ্বলন্ত আগুন সামনে রেখেও নামাজ আদায় করা মাকরূহ।

৮. খেলাধূলা কিংবা বিনোদনের জন্য নির্দিষ্ট এমন জায়গায় বিনা ওজরে নামাজ আদায় করা মাকরূহ।

৯. ঘটনাক্রমে কেউ যদি কবরের ওপর নামাজ আদায় করে ফেলেন তাহলে নামাজ হয়ে যাবে, কিন্তু মাকরূহ হবে।

১০. নকশাখচিত জায়নামাজে নামাজ আদায় করাকে কোনো কোনো ফকিহ মাকরূহ বলেছেন।

sheikh mujib 2020