advertisement
আপনি পড়ছেন

ব্যাপক সমালোচনা ও বিতর্কের মধ্যে অবশেষে তাইওয়ানে পা দিয়েছেন মার্কিন হাউস স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি। দেশটির পার্লামেন্টে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, আমরা তাইওয়ানকে বিশ্বের সবচেয়ে স্বাধীন সমাজের একটি হওয়ার জন্য প্রশংসা করি। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ড।

nancy pelosi c landed in taiwanচীনের তীব্র সমালোচনার পরও তাইওয়ানে পা দিয়েছেন ন্যান্সি পেলোসি

সফরের আগে পেলোসি তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং ওয়েনকে তার নেতৃত্বের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন এবং আন্তঃসংসদীয় সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান। পেলোসির তাইওয়ান সফর নিয়ে পুরো বিশ্বে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। কারণ চীন পেলোসির সফরের তীব্র বিরোধিতা করে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ফোনে কথা বলার সময় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং হুমকি দিয়েছিলেন, আগুন নিয়ে খেললে পুড়তে হবে।

তাইওয়ানের পার্লামেন্টে পেলোসি বলেন, চীনের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য আমেরিকান চিপ (সেমিকন্ডাক্টর) শিল্পকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করব। নতুন মার্কিন আইন ‘ইউএস-তাইওয়ান অর্থনৈতিক সহযোগিতা’ এই কার্যক্রমে আমাদের আরও বেশি সুযোগ এনে দিয়েছে।

china us relation 3যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্ক

খবরে বলা হয়, বেইজিং তাইওয়ানকে চীনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসাবে বিবেচনা করে। তবে তাইওয়ান ১৯৪৯ সাল থেকে তার স্বায়ত্বশাসন বজায় রেখেছে এবং কমপক্ষে ১৪টি দেশের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেছে।

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কার্যকাল থেকে ওয়াশিংটন এবং তাইপেইয়ের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক এবং বর্তমান আইনপ্রণেতারা আড়াই কোটি জনসংখ্যার তাইওয়ানে প্রতিনিয়ত সফর করে থাকেন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৭৯ সালে চীনকে স্বীকৃতি দেয় এবং তাইপেই থেকে বেইজিংয়ে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থানান্তর করে। ওয়াশিংটন এক চীন নীতির অধীনে তাইওয়ানকে মূল ভূখণ্ডের অংশ হিসাবে গ্রহণ করে। তবে তাইওয়ানের স্বায়ত্বশাসনে চীনের হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের শক্ত অবস্থান।

যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও তাইওয়ানকে স্বীকৃতি দেওয়া দেশগুলো হল- বেলিজ, গুয়াতেমালা, হাইতি, ভ্যাটিকান সিটি, হন্ডুরাস, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, নাউরু, পালাউ, প্যারাগুয়ে, সেন্ট কিটস এবং নেভিস, সেন্ট লুসিয়া, সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইনস এবং টুভালু।