advertisement
আপনি পড়ছেন

কিয়েভকে সমর্থন দেওয়া ইউরোপীয় দেশগুলো কিছুদিনের মধ্যে ভাবতে শুরু করবে, আমরা কেন জেলেনস্কির ইচ্ছার মূল্য চুকাবো। রাশিয়ার নাগরিকদের এক বছর কোনো দেশে ঢুকতে না দেওয়ার ব্যাপারে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মন্তব্যের জবাবে এ কথা বলেছেন ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ। খবর ওয়াশিংটন পোস্ট।

pescov and zelenaskyyদিমিত্রি পেসকভ ও ভলোদিমির জেলেনস্কি

গতকাল মঙ্গলবার পেসকভ সাংবাদিকদের বলেন, জেলেনস্কির বোঝা উচিত, যেসব ইউরোপীয় দেশ রাশিয়াকে শাস্তি দেওয়ার চেষ্টা করছে, তারাই আবার সক্রিয়ভাবে নিয়মিতভাবে রাশিয়ার বিল পরিশোধ করছে। কিছুদিনের মধ্যেই এসব দেশ ভাবতে শুরু করবে, জেলেনস্কি কি সবকিছু ঠিকঠাক করছেন? কেন আমাদের নাগরিকদের তার ইচ্ছার জন্য মূল্য দিতে হবে?’ ইউক্রেনের উচিত এই বিষয়ে সচেতন হওয়া।

গত সোমবার ওয়াশিংটন পোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে জেলেনস্কি বলেছিলেন, রাশিয়ার সব নাগরিকের ওপর পূর্ণ এক বছরের জন্য ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে হবে। কোনো দেশেই তাদেরকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

pescov and zelenaskyyইউরোপে রাশিয়ার পর্যটক

জেলেনস্কি বলেন, রুশ নাগরিকদের নিজেদের দেশেই বসবাস করতে হবে যতক্ষণ পর্যন্ত তারা সরকার দর্শনে পরিবর্তন না আনবে। তিনি মনে করেন, সম্মিলিত শাস্তির ব্যবস্থাই চলমান সংকট সমাধানের একমাত্র পথ। এই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হলে তারা আমাদের পরিস্থিতি, ইউক্রেনের পরিস্থিতি বুঝতে পারবে। তখন তারা তাদের সরকারকে যুদ্ধ বন্ধ বা ক্ষমতার পরির্বতনে চাপ দিতে পারবে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ওই সাক্ষাৎকারে আরো বলেন, রাশিয়া থেকে সমস্ত জ্বালানি আমদানির ওপর পশ্চিমাদেরকে পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে হবে। কোনো দেশই রাশিয়া থেকে কোনো ধরনের জ্বালানি আমদানি করতে পারবে না। তাহলেই কেবল রাশিয়াকে দমানো সম্ভব হবে। এ সময় তিনি আমেরিকাসহ পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার ওপর বর্তমানে যেসব নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সেগুলোকে দুর্বল বলে উল্লেখ করেন।

ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পরপরই আমেরিকা এবং তার মিত্র ব্রিটেন, কানাডা, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও অস্ট্রেলিয়া রাশিয়ার বহু নাগরিক ও সংস্থার ওপর সাড়ে পাঁচ হাজারের বেশি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর