advertisement
আপনি পড়ছেন

দেশে ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশুদের করোনাভাইরাসের টিকা প্রদান শুরু হচ্ছে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট)। প্রথমে রাজধানী ঢাকায় পরীক্ষামূলকভাবে এবং পরে পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় শিশুদের টিকা দেওয়া হবে।

health ministryস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সারাদেশে ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী ২ কোটি ২০ লাখ শিশুকে করোনার টিকা দেওয়া হবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাংলাদেশকে অনুদান হিসেবে শিশুদের উপযোগী আরও ১৫ লাখ ফাইজারের টিকা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল মঙ্গলবার টিকার এ চালান ঢাকায় পৌঁছেছে।

এ নিয়ে শিশুদের উপযোগী করে বিশেষভাবে প্রস্তুত ফাইজারের টিকার পরিমাণ দাঁড়ালো ৩০ লাখ ডোজের বেশি। এর আগে গত ৩০ জুলাই বাংলাদেশ কোভ্যাক্স সুবিধার অধীনে শিশুদের উপযোগী ১৫ লাখ ২ হাজার ৪০০ ডোজ টিকা পায়।

pfizer vacc children bangladeshফাইজারের টিকা

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র থেকে অনুদান হিসেবে বাংলাদেশ করোনার টিকা পেয়েছে ৭ কোটি ৫০ লাখ ডোজ।

গত ৭ আগস্ট স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছেন, আমরা ১১ আগস্ট থেকে ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশুদের করোনা টিকাদানের ট্রায়াল শুরু করব। প্রথমে ঢাকায় দেওয়া হবে। ফল ভালো হলে সারাদেশে শুরু করবো পুরোদমে।

করোনার সংক্রমণ শুরু হলে ২০২১ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি দেশে প্রথম টিকা দেওয়া হয়। পরদিন থেকে সারাদেশে ষাটোর্ধ্বদের গণটিকাদান শুরু করে সরকার। পর্যায়ক্রমে টিকাপ্রাপ্তির বয়সসীমা কমিয়ে ১৮ বছরে আনা হয়। ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় আনা হয় গত বছর। একইসঙ্গে শুরু হয় প্রাপ্তবয়স্কদের বুস্টার বা তৃতীয় ডোজ প্রদান কার্যক্রম।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, এখন পর্যন্ত করোনা টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন দেশের ১২ কোটি ৯৭ লাখ ৬০ হাজার মানুষ। তাদের মধ্যে দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ১২ কোটি লাখ ৭ লাখ ৩ হাজার। এছাড়া ৪ কোটি ৬ লাখ ৫৯ হাজারের বেশি মানুষকে দেওয়া হয়েছে বুস্টার ডোজ। বুস্টার ডোজ গ্রহণে মানুষের মধ্যে ব্যাপক অনিহা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর