advertisement
আপনি পড়ছেন

হঠাৎ করে জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে সর্বস্তরে প্রভাব পড়েছে। বাজারের প্রায় সকল পণ্যই এখন নিম্নবিত্ত মানুষের ধরা-ছোঁয়ার বাইরে চলে গেছে। সাধারণের মধ্যে এ নিয়ে যখন তীব্র অসন্তোষ, তখন জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর কারণ স্পষ্ট করে ব্যাখ্যা করতে জ্বালানি বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মন্ত্রিসভার বৈঠক থেকে।

fuelজ্বালানি তেল

আজ বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) ভার্চুয়াল মাধ্যমে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকের অনির্ধারিত আলোচনায় জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা ওঠে। সরকারের পক্ষ থেকে অবশ্য বারবার স্পষ্ট করেই এর কারণ ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তারপরও জ্বালানি বিভাগকে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে, যেন এ নিয়ে কোনো বিভ্রান্তি তৈরির সুযোগ না থাকে।

মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) একাধিকবার কথা বলেছে। তারপরও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন প্লাটফর্মে এ নিয়ে আলোচনা থেমে নেই। তাই তাদেরকে আবারও, প্রয়োজনে হলে নিয়মিত বিরতিতে ব্যাখ্যা দিতে বলেছে মন্ত্রিসভা।

fuel and mineral resources departmentজ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে সরকার। ভোক্তা পর্যায়ে ডিজেল ও কেরোসিন লিটারপ্রতি ৩৪ টাকা বাড়িয়ে ১১৪ টাকা, অকটেনের লিটার ৪৬ টাকা বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা এবং পেট্রোলের দাম ৪৬ টাকা বাড়িয়ে ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ, জ্বালানি প্রতি গড়ে এক লাফে ৪৭ শতাংশের বেশি দাম বাড়ানো হয়েছে।

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর