আপনি পড়ছেন

রাজধানীর উত্তরায় রিকশার গ্যারেজে বিস্ফোরণে দগ্ধ ৮ জনই একে একে চলে গেলেন না ফেরার দেশে। সর্বশেষ শুক্রবার (১২ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে মারা গেছেন দগ্ধ শাহীন। তিনি শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত ৬ আগস্ট শনিবার দুপুরে কামারপাড়ার ওই রিকশার গ্যারেজে বিস্ফোরণ ঘটে।

sheikh hasina national institute of burn and plastic surgeryশেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন এস এম আইয়ুব হোসেন জানান, শাহীনের শরীরের ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়ে গিয়েছিল। অনেক চেষ্টা করেও তাকে বাঁচানো গেল না।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, কামারপাড়ার মো. গাজী মাজহারুল ইসলামের গ্যারেজে গত শনিবার (৬ আগস্ট) হঠাৎ করেই বিস্ফোরণ ঘটে। এতে গ্যারেজ মালিক মাজহারুল ইসলামসহ দগ্ধ হন মো. নূর হোসেন (৬০), মিজানুর (৩৫), মাসুম মিয়া (৩৫), আল-আমিন (৩০), মো. শাহিন (২৬), মো. আলম (২৩) ও শফিকুল ইসলাম (৩২)।

দগ্ধদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলেও শনিবার রাত ১০টার দিকে মারা যান আলম। ওই রাতেই ২টার দিকে মারা যান গ্যারেজের মালিক মাজহারুল ইসলাম ও নূর হোসেন। এরপর রোববার রাতে মারা যান মিজানুর। মো. মাসুম আলী মারা যান সোমবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যায়। এদিন রাতে মারা যান আল আমিন । মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটার দিকে মারা যান শফিকুল। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ছিলেন মো. শাহীন। শুক্রবার রাতে তিনিও মারা গেলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, রিকশা গ্যারেজের ভেতরে ভাঙারি মালামালের ব্যবসাও ছিলো। সেখানে স্ক্র্যাপ মেশিনে চাপ দিয়ে একটি স্প্রে বোতল ভাঙার সময় হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে আগুন ধরে গিয়ে গ্যারেজে থাকা সবাই দগ্ধ হন।

এ ঘটনায় পুলিশের উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ মোর্শেদ আলম বলেন, গ্যারেজ মালিক নিজেই ভুক্তভোগীদের একজন। গ্যারেজে দাহ্য উপাদান কীভাবে গেল, সেটি অনুসন্ধান করা হচ্ছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর