আপনি পড়ছেন

আফগানিস্তানে তালেবানের ক্ষমতা দখলের বর্ষপূর্তিতে বাইডেন প্রশাসন ঘোষণা করেছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রে আটক করা আফগান তহবিল আপাতত ছাড় করবে না। কাবুলে আল কায়েদা নেতা আয়মান আল জাওয়াহিরির উপস্থিতির কারণ দেখিয়ে তারা এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে। খবর দ্য ডন।

tom westটম ওয়েস্ট

গতকাল মঙ্গলবার একজন মাার্কিন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে নিউইয়র্ক টাইমস এক রিপোর্টে জানায়, যুক্তরাষ্ট্র যদি এ তহবিল ছাড় করে তাহলে এ গ্যারান্টি নেই যে, এই অর্থ সন্ত্রাসীদের হাতে পড়বে না। তাই শিগগিরই এ অর্থ ছেড়ে দেওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

আফগানিস্তানের জন্য মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ প্রতিনিধি টম ওয়েস্ট ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের বলেন, আফগানিস্তানকে দেওয়া তহবিল আল কায়েদা নেতা আয়মান আল জাওয়াহিরিকে আশ্রয় দেওয়া সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোতে চলে যাওয়ার ব্যাপারে আমরা উদ্বিগ্ন। তাই আমরা আফগানিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তহবিল নিকট ভবিষ্যতে ফিরিয়ে দেওয়ার কোনো সম্ভাবনা দেখছি না।

tom westআফগানিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক

টম ওয়েস্ট উল্লেখ করেন, আফগানিস্তানের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে মার্কিন কর্মকর্তারা কয়েক মাস ধরে আফগান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাথে কাজ করছিলেন। কিন্তু ওই অর্থ সন্ত্রাসীদের হাতে পড়বে না এমন নিশ্চয়তা তারা দিতে পারেনি। সংস্থাটি দায়িত্বশীলভাবে সম্পদ পরিচালনার ব্যাপারে যথাযথ সুরক্ষা ও পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা করেছে এমন আশ্বাসও দিতে পারেনি। এরইমধ্যে কাবুলে আল কায়েদা নেতা জাওয়াহিরির সন্ধান পাওয়ায় বিষয়টি আরও বেশি উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের (এনএসসি) একজন মুখপাত্র বলেন, আফগান জনগণের কাছে তহবিল পাওয়ার প্রচেষ্টায় কোনও পরিবর্তন হয়নি। তবে কাবুলে আয়মান আল জাওয়াহিরির উপস্থিতি তালেবানের সাথে মার্কিন প্রশাসন কী আচরণ করবে তার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলেছে।

তিনি আরও বলেন, তালেবান স্পষ্টভাবে দোহা চুক্তির ধারা লঙ্ঘন করেছে। এ বিষয়টি তালেবানের সাথে আমাদের লেনদেনের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলছে। ফলে এই তহবিলের ভবিষ্যতের প্রতি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি সেই অনুযায়ীই কাজ করবে।

এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নেড প্রাইস বলেন, আফগানিস্তানের লাখ লাখ লোক দারিদ্র্য ও খাদ্য সংকটে ভুগছে। এ অবস্থায় মার্কিন প্রশাসন আফগানদের সাহায্য করার জন্য রিজার্ভের অর্থ ব্যবহারের বিকল্প উপায় খুঁজছে।

মার্কিন প্রশাসন জানায়, এখন তারা বিষয়টি নিয়ে কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ ইসলামি সংস্থা ও দেশগুলোর সাথে কাজ করছে। কারণ এসব দেশের সাথে তালেবানের সম্পর্ক তুলনামূলক ভালো। তাই তাদের মাধ্যমে তালেবানের বিষয়গুলো সমাধানের চেষ্টা চলছে।

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর