advertisement
আপনি পড়ছেন

উইন্ডসর রাজপ্রাসাদের সেইন্ট জর্জ চ্যাপেলে রাজকীয় সমাধিতে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। লন্ডন সময় সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় রাজপরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে রানীকে তার স্বামী ফিলিপের সমাধির পাশে সমাহিত করা হয়। এর আগে সেইন্ট জর্জ চ্যাপেলে পারিবারিক সদস্যদের উপস্থিতিতে প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। খবর বিবিসির।

queen london bd00রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথকে শ্রদ্ধা

ঐতিহাসিক ওয়েস্ট মিনস্টার অ্যাবেতে রানি এলিজাবেথের রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্নের পর পতাকাযুক্ত কফিন নিয়ে যাওয়া হয় উইন্ডসর ক্যাসেলে। সমাহিত করার আগে রানীর জন্য সেখানে শেষ বারের মতো প্রার্থনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় রানীর কফিনের ওপর থেকে রাজদণ্ড ও মুকুট সরিয়ে নেওয়া হয়।

এর আগে ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবেতে রানির প্রতি শ্রদ্ধা জানান আমন্ত্রিত বিশ্বনেতারা। পাশাপাশি ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্য, রাজনৈতিক অভিজাত, সামরিক, বিচার বিভাগ ও দাতব্য সংস্থাগুলোর কর্মকর্তারা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নেন। ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবেতে হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে ধর্মীয় প্রার্থনার পর কফিন নেওয়া হয় উইন্ডসর ক্যাসেলে।

স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবে থেকে কফিন নিয়ে শোকযাত্রা  করে উইন্ডসর ক্যাসেলের গির্জায় নেওয়া হয়। রানীর বড় ছেলে রাজা তৃতীয় চার্লস ও  রাজপরিবারের সদস্যরা শোকযাত্রায় অংশ নেন।

এসময় কফিনবাহী গাড়ি অনুসরণ করেন চার্লসের স্ত্রী কুইন কনসর্ট ক্যামিলা, বড় ছেলে উইলিয়াম, ছোট ছেলে হ্যারি, উইলিয়ামের স্ত্রী কেট মিডলটন, হ্যারির স্ত্রী মেগানসহ পরিবারের সদস্যরা। এসময় শববাহী গাড়ির দুইপাশে রাজকীয় স্যালুট দেন সামরিক বাহিনীর সদস্যরা।  

রানীর কফিন নিয়ে শোকযাত্রাটি ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল, বাকিংহাম প্যালেসসহ লন্ডনের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর সামনে দিয়ে উইন্ডসর প্যালেসে নেওয়া হয়।

সেইন্ট জর্জ চ্যাপেলের গির্জায় গিয়ে শবযাত্রা থামে স্থানীয় সময় বিকেল চারটায়। সেখানে রানীর কফিন গির্জার রাজকীয় সমাধিকক্ষে নামানো হয়।  রানিকে শেষ বিদায় জানানোর আনুষ্ঠানিকতার পর সন্ধ্যা সাতটায় সমাহিত করা হয়।

রানির সমাধিতে লেখা থাকবে ‘দ্বিতীয় এলিজাবেথ ১৯২৬-২০২২।

ব্রিটিশ ইতিহাসে দীর্ঘ ৭০ বছর সিংহাসনে থেকে গত ৮ সেপ্টেম্বর  ৯৬ বছর বয়সে মারা যান রানী।