advertisement
আপনি পড়ছেন

বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) শুভেচ্ছাদূত সাকিব আল হাসান। ২০১৮ সালে দুদকের সঙ্গে বিনা পারিশ্রমিকে এই চুক্তি করেছিলেন বাঁহাতি এই অলরাউন্ডার।

shakib al hasan 2022 1সাকিব আল হাসান

তবে সাম্প্রতিক সময়ে সাকিবের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে পরিস্থিতি বদলে গেছে। উল্টো প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে দুদককে। এখন বাংলাদেশ টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ককে আর শুভেচ্ছাদূত রাখা হবে কিনা, তা নিয়ে ভাবতে হচ্ছে দুদককে। এ বিষয়ে দ্রুতই সিদ্ধান্ত নেবে দুদক। এজন্য সাংবাদিকদের অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে দুদকের পক্ষ থেকে।

কিছুদিন আগে জুয়া প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি সমালোচিত হয়েছিলেন সাকিব। সম্প্রতি শেয়ারবাজার কারসাজিতে তার নাম উঠে এসেছে। এমনকি শেয়ারবাজারে নিজ প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স করতে গিয়ে নিজের বাবার নাম জালিয়াতির অভিযোগও উঠেছে বাঁহাতি এ অলরাউন্ডারের বিরুদ্ধে।

যা সামগ্রিকভাবে দুদকের ভাবমূর্তিতেও প্রভাব ফেলছে। এমন অবস্থায় সাকিব আর দুদকের শুভেচ্ছাদূত থাকছেন কিনা জানতে চাইলে মঙ্গলবার দুদকের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, ‘অভিযোগ এলেই তো সঙ্গে সঙ্গে কোনো কিছু হয় না। একটু সময় দেন। বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশন দেখছে, অপেক্ষা করুন।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাকিব আল হাসান বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার এবং দলের অধিনায়ক। তার সঙ্গে দুদকের ২০১৮ সালে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে যে চুক্তিটি হয়েছিল, সেটি ছিল বিনা পারিশ্রমিকে উনি দুদকের হয়ে তথ্যচিত্র তৈরিতে কাজ করবেন। এবং তার সঙ্গে শুধু একবার ২০১৮ সালে যখন দুদকের ১০৬ কমপ্লেইন হটলাইন চালু হয়, তখন একটি তথ্যচিত্র করা হয়েছিল। পরবর্তীতে আমরা আর কোনো তথ্যচিত্র বা কোনো কার্যক্রম করিনি।’