আপনি পড়ছেন

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) শীর্ষ মানবাধিকার বিষয়ক পুরস্কার শাখারভ প্রাইজের জন্য মনোনীত হয়েছেন ইসরায়েলি সেনার গুলিতে নিহত ফিলিস্তিনি সাংবাদিক শিরিন আবু আকলেহ। সম্প্রতি ইউরোপীয় পার্লামেন্টের কয়েক ডজন সদস্য সম্মানজনক এই পুরস্কারের জন্য তার নাম মনোনীত করেছেন।

shireen abu akleh 1ইইউ’র মানবাধিকার পুরস্কারের জন্য মনোনীত নিহত ফিলিস্তিনি সাংবাদিক শিরিন আবু আকলেহ

১৬ সেপ্টেম্বর ইইউ’র ৪৩ জন আইনপ্রণেতা এক বিবৃতি প্রকাশ করেন। এতে লেখা ছিল, 'শিরিন আবু আকলেহ আরব বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় সাংবাদিকদের একজন ছিলেন। তিনি মত প্রকাশের স্বাধীনতায় দৃঢ় বিশ্বাসী ছিলেন। জনগণের কাছাকাছি থাকার জন্য সাংবাদিকতা বেছে নিয়েছিলেন তিনি।'

শিরিন আবু আকলেহ শাখারভ পুরস্কার পেলে তা ফিলিস্তিনিদের জন্য বড় একটি বিজয় বলে ধরে নেওয়া যায়। এর আগে কোন ফিলিস্তিনিই এই পুরস্কার অর্জন করতে পারেননি। চলতি বছরের শেষে পুরস্কার বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে। 

নিহত এই সাংবাদিকের ভাইয়ের মেয়ে লিনা আবু আকলেহ টুইটারে ইইউ এমপিদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি লিখেন, 'গ্রেস ও'সুলিভানসহ সকল আইনপ্রণেতারা যারা এই সম্মানসূচক পুরস্কারের জন্য শিরিন আবু আকলেহকে মনোনয়ন দিয়েছেন তাদের ধন্যবাদ।' 

মে মাসে ইসরায়েল অধিকৃত ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে একটি অভিযান কভার করার সময় ইসরায়েলি সেনা আল জাজিরার সাংবাদিক আবু আকলেহর মাথায় গুলি করে। সে সময় তিনি ‘প্রেস’ লেখা প্রতিরক্ষামূলক একটি জ্যাকেট পরেছিলেন, তার মাথায় হেলমেটও ছিল। হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান তিনি।

ইইউ ৫১ বছর বয়সি এই সাংবাদিকের হত্যার নিন্দা জানিয়ে এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছিল।

প্রাথমিকভাবে ইসরায়েল বলেছিল, আবু আকলেহ ফিলিস্তিনি জঙ্গিদের সাথে গুলি বিনিময়ের ফলে নিহত হয়েছেন। অবশ্য চলতি মাসের শুরুতে ইসরায়েল স্বীকার করেছে, তাদের একজন সৈন্য এই হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।

উল্লেখ্য, শাখারভ প্রাইজ মানবাধিকার রক্ষাকারীদের জন্য ইইউ’র দেওয়া সর্বোচ্চ সম্মান। এর আগে নেলসন ম্যান্ডেলা, মালালা ইউসুফজাই, রাশিয়ার বিরোধীদলীয় নেতা অ্যালেক্সি নাভালনি এই পুরস্কার পেয়েছিলেন।

সূত্র: দোহা নিউজ

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর