আপনি পড়ছেন

মাত্র বছর তিনেক আগের কথা। ২০১৯ সালে মিরপুর স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ দল। টাইগারদের হারের প্রহর গুনছিল সবাই। তখনই ধ্বংসস্তূপে মাথা তুলে দাঁড়ালেন আফিফ হোসেন ধ্রুব।

afif hossain 5আফিফ হোসেন

ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ম্যাচেই হাফ সেঞ্চুরি করে দলকে বিপদমুক্ত করেন তিনি। প্রবল চাপের মুখে ২৬ বলে ৫২ রান করে দলকে জিতিয়েছেন আফিফ।

ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই চাপজয়ী ব্যাটসম্যান হিসেবে নিজের সামর্থ্য দেখিয়েছেন এ তরুণ ব্যাটসম্যান। গতকাল দুবাইয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষেও বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনের ত্রাতা আফিফ। ৭৭ রানে ৫ উইকেট হারানো বাংলাদেশকে লড়াকু পুঁজি এনে দেন তিনি। ষষ্ঠ উইকেটে অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহানের সঙ্গে গড়ে তুলেন ৮১ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি।

ক্যারিয়ার সেরা অপরাজিত ৭৭ রানের ইনিংস খেলেছেন আফিফ। চাপের মুখে ব্যাটিং করাটা উপভোগ করেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সবসময় চাপের মুখে ব্যাটিং করতে ভালো লাগে। আমি শেষপর্যন্ত ব্যাটিং করতে চেয়েছিলাম, সফল হওয়ায় ভালো লাগছে।’

তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম অবসর নিয়েছেন টি-টোয়েন্টি থেকে। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদও দলের বাইরে। সিনিয়রদের ছাড়া দলটার মিডল অর্ডার সামলানোর গুরুভার এখন আফিফদের কাঁধে।

এমন দায়িত্ব নিয়েও নির্ভার বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান, ‘কয়েকজন সিনিয়র খেলোয়াড় না থাকলেও আমাদের ওপর বাড়তি চাপ নেই। আমাদের সবসময় সেরা একাদশই খেলাতে হবে। আশা করি পরের ম্যাচেও আমি রান করতে পারব।’

গতকাল সিরিজের প্রথম ম্যাচে আরব আমিরাতকে ৭ রানে হারিয়েছে টাইগাররা। যদিও জয়টা সহজ ছিল না। স্বাগতিকরা ঠিকই কাঁপিয়ে দিয়েছে সোহান বাহিনীকে।

টপ অর্ডারের ব্যর্থতাই চাপে ফেলেছিল বাংলাদেশকে। ইনিংসের শুরুতে উইকেটের পরিস্থিতি জানিয়ে ম্যাচ সেরার পুরস্কার পাওয়া আফিফ বলেন, ‘শুরুতে উইকেট একটু কঠিন ছিল। বল গ্রিপ হচ্ছিল। টপঅর্ডার ভালো করতে পারেনি, পরের ম্যাচে ইনশাআল্লাহ করবে। এটা সমস্যা না। আমি আর সোহান ভাই ব্যাট করার সময় আস্তে আস্তে উইকেট ভালো হচ্ছিল দেখে আমরা আরও ভালো ব্যাটিং করতে পেরেছি।’

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর