আপনি পড়ছেন

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ান রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লদিমির পুতিনের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। তিনি পুতিনের কাছে যুদ্ধবিরতি কার্যকরে সব পক্ষের প্রচেষ্টা বাস্তবায়নের অনুরোধ করেন ও আলোচনায় বসতে চান। তুরস্কের কমিউনিকেশন ডিরেক্টরেটের এক বিবৃতিতে গতকাল বৃহস্পতিবার বলা হয়, এরদোয়ান যুদ্ধবিরতির জন্য সবশেষ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ড।

putin erdogan 2এরদোয়ান ও পুতিন, ফাইল ছবি

ওই বিবৃতিতে বলা হয়, এরদোয়ান পুতিনকে জানান, তুরস্ক যুদ্ধাবসানে ভূমিকা রাখতে চায়। সেক্ষেত্রে পুতিনের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। সমঝোতায় বসার জন্য আরেকবার সুযোগ দাবি করেছেন এরদোয়ান। সবশেষ রাশিয়া-ইউক্রেন বন্দিবিনিময় ও শস্যচুক্তির সফলতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে এরদোয়ান পুতিনকে বলেন, যুদ্ধবিরতি কার্যকরে আমরা আরেকটি সুযোগ চাই।

তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, শস্যচুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি উভয়পক্ষের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়। আগামী নভেম্বর মাসে চুক্তিটি শেষ হয়ে যাবে। এরইমধ্যে রাশিয়ান শস্য ও সার রপ্তানির প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। গত ২২ জুলাই তুরস্কের ইস্তাম্বুলে জাতিসংঘের উপস্থিতিতে ইউক্রেন-রাশিয়া শস্যচুক্তি সম্পাদনে জোরালো ভূমিকা রাখে তুরস্ক। গত ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরুর পর বন্ধ হয়ে যাওয়া শস্য রপ্তানি ওই চুক্তির মাধ্যমে ফের চালু হয়। শস্য চুক্তির জন্য এরদোয়ান বিশ্বনেতাদের প্রশংসা অর্জনে সক্ষম হন।

এরদোয়ান পুতিনকে স্মরণ করিয়ে দেন, দখলীয় দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, জাপোরিঝিয়া এবং খেরসনে এমন কিছু পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, যাতে শান্তি রক্ষা হয় এবং এই অঞ্চলের মানুষ দুশ্চিন্তামুক্ত থাকতে পারে। রাশিয়াও একইরকম মনোভাব পোষণ করে বলে আঙ্কারা মনে করে।

২৩-২৭ সেপ্টেম্বর দোনেৎস্ক, লুহানস্কসহ ওই চার অঞ্চলে গণভোটের আয়োজন করে রাশিয়া। পরে দুটি অঞ্চলকে স্বাধীন রাজ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে মস্কো। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় গত বুধবার জানায়, অঞ্চলগুলোর ৯৮ ভাগ মানুষ রাশিয়ায় যুক্ত হতে চায়। তবে গণভোটের নিন্দা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। তারা এই ভোটকে ‘ভুয়া’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। জাতিসংঘ রাশিয়ার দখলবাজিকে সাংঘাতিক পদক্ষেপ হিসেবে নিন্দা করেছে।

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর