আপনি পড়ছেন

জাতীয় দল কেন্দ্রিক কার্যক্রমে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের সংশ্লিষ্টতা ওপেন সিক্রেট। বিভিন্ন সময়ে তার বিরুদ্ধে হস্তক্ষেপের কথাও উঠে এসেছে। এজন্য সমালোচকদের তোপের মুখে পড়তে হয় তাকে। আলোচিত ক্রীড়া সংগঠক ও স্থপতি মোবাশ্বের হোসেনের সমালোচনার তীর যেন প্রস্তুতই থাকে।

nazmul hasan papon 2022নাজমুল হাসান পাপন

অতি সম্প্রতি বেসরকারি এক টিভি চ্যানেলে টকশোতে মোবাশ্বের হোসেন বলেছিলেন, খোদ পাপনই নাকি বিসিবিতে অসহায়! দল নিয়ে অনেক কিছুই সভাপতির অগোচরে হয়। পাপনই নাকি ফোন করে তাকে এসব জানিয়েছেন।

রোববার মিরপুর স্টেডিয়ামে বোর্ড সভার পর মোবাশ্বেরের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন পাপন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘উনি (মোবাশ্বের) এই যে প্রতিনিয়ত মিথ্যা বলে যায়, উনার পক্ষে কি এটা মানায়। এখনও যদি কারো কাছে মনে হয় আমি অসহায়, আমার কিছু বলার নাই। নো কমেন্টস। উনি যদি শুনে খুশি হয়, তাহলে আমি অত্যন্ত অসহায়। খুশি থাক। উনি কেন বলছে আমি জানি না।’

সভাপতি হয়েও দল নির্বাচনে সংশ্লিষ্টতা, হস্তক্ষেপের কারণে পাপনের সমালোচনা নিত্যই হয়। কিছুদিন আগে মোবাশ্বেরকে ফোন করে বিসিবি সভাপতিই বলেছিলেন, এসবের সঙ্গে তিনি সরাসরি জড়িত নন।

মোবাশ্বেরকে ফোন করার বিষয়টি স্বীকার করেছেন পাপন, ‘এটা সত্য উনাকে আমি এটা বলেছি যে, এসবের মাঝে আমি জড়িত না। ’

তবে দিন শেষে সমালোচকদের একতরফা মন্তব্যকে নিছক মজাই মনে করেন পাপন, ‘তারপরও কেউ যদি এসব বলে মজা পায়, পাক না সমস্যা কি।’

পাপনের মনে দুঃখ, টকশোতে মোবাশ্বেরের এমন মন্তব্যের প্রতিবাদ করেনি কেউ। সংবাদমাধ্যমও নয়, এমনকি ওই টকশোতে থাকা এক বোর্ড পরিচালকও প্রতিবাদ করেননি।

আক্ষেপ না লুকিয়ে রোববার পাপন বলেন, ‘বোর্ডের লোক ছিল, সে ও তো প্রতিবাদ করেনি। আপনারা কেউ তো প্রতিবাদ করেননি। এগুলো এখন একটা মজা।’

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর