আপনি পড়ছেন

পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক কেন্দ্র করাচিতে গত ২৮শে সেপ্টেম্বর একজন চীনা-পাকিস্তানিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার তদন্ত করছে দেশটির পুলিশ। তবে, পাকিস্তানে চীনা নাগরিকদের ওপর ধারাবাহিকভাবে হামলা এবং হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অস্বস্তিতে পড়েছে বেইজিং।

members of a student union light candleপাকিস্তানে চীনাদের ওপর ধারাবাহিক হামলায় বিচলিত বেইজিং

সংবাদমাধ্যম দ্য ডিপলোম্যাট জানিয়েছে, সন্দেহভাজন হত্যাকারী রোগী সেজে ওই ডাক্তারের চেম্বারে প্রবেশ করেন। এরপর কয়েক রাউন্ড গুলিয়ে চালিয়ে একজনকে হত্যা করে এবং দুজনকে আহত করে নিরাপদে পালিয়ে যান।

করাচি পুলিশ বলছে, অপরাধীদের জন্য এ ধরনের হামলা চালানো সহজ। কারণ, ওই চেম্বারে রোগীদের সহজ যাতায়ত ছিল। তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

এদিকে ওই হামলার দায় স্বীকার করেছে পাকিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলীয় সিন্ধু প্রদেশের সিন্ধুদেশ পিপলস আর্মি নামের একটি নতুন সিন্ধি জাতীয়তাবাদী জঙ্গি গোষ্ঠী। তবে এ গ্রুপটির সম্পর্কে খুব বেশি কিছু জানা যায় না।

করাচি-ভিত্তিক সাংবাদিক, গবেষক জিয়াউর রহমান মনে করেন, এটি বিচ্ছিন্নতাবাদী জাতীয়তাবাদীদের থেকে বিচ্ছিন্ন কোনো গোষ্ঠী হতে পারে, যারা অতীতে সিন্ধু প্রদেশের রাজধানী করাচিতে চীনা নাগরিকদের ওপর এই ধরনের আরও হামলা চালিয়েছে।

জাতিগত বেলুচ ও সিন্ধু বিচ্ছিন্নতাবাদীরা সম্প্রতি করাচি এবং উত্তপ্ত দক্ষিণ-পশ্চিম বেলুচিস্তানে চীনা নাগরিকদের লক্ষ্য করে ধারাবাহিক হামলা চালিয়ে আসছে।

এ ধরনের হামলায় বারবার উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে চীন। কারণে পকিস্তানে এসে অনেক চীনা নাগরিক প্রাণ হারাচ্ছেন। যা নিয়ে দেশটির অভ্যন্তরেই অসন্তোষ বাড়ছে।

এরই জেরে চলতি বছরের এপ্রিলে করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ে কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটে যখন আত্মঘাতী হামলায় তিন চীনা নাগরিকের মৃত্যু হয়, তখন পাকিস্তানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিল বেইজিং।

চীনের পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে তখন বলা হয়েছিল- ‘চীনাদের রক্ত বৃথা যাবে না। ওই ঘটনার পেছনে যে বা যারাই থাকুক, তাদের চড়া মূল্য দিতে হবে।’

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর