আপনি পড়ছেন

ইউক্রেনের চার অঞ্চলকে রাশিয়া নিজেদের সাথে সংযুক্তির ঘোষণা দেওয়ার পরই কিয়েভ বাহিনীর ব্যাপক আক্রমণের মুখে পড়ে রুশ সেনারা। দোনোৎস্ক প্রদেশের দখলীয় একটি শহর হারাতেও হয়েছে তাদের। বিষয়টির সত্যতা মিলেছে রাশিয়ান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপস্থাপিত ম্যাপে। সেখানে দেখা গেছে, রাশিয়ান বাহিনীর ব্যাপক সংখ্যক সদস্য পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চল থেকে সরে গেছে। কিয়েভ বাহিনীর চাপের মুখেই এটা হয়েছে। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ড।

russian army maps show majoরাশিয়ান বাহিনীর ব্যাপক সংখ্যক সদস্য পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চল থেকে সরে গেছে

রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিদিনকার ভিডিও ব্রিফিংয়ে বিষয়টি ধরা পড়েছে। সেখানে ম্যাপে দেখানো হয়, তাদের সেনারা পিছু হটেছে। তবে কোনো অঞ্চলের নাম সেখানে নির্দিষ্ট করে উল্লেখ করা হয়নি। ম্যাপের লোকেশনে কালো চিহ্নিত এরিয়া আরও ছোট হয়ে এসেছে। অর্থাৎ দখলীয় অঞ্চলের পরিমাণ আগের চেয়ে কমে গেছে।

উত্তর-পূর্ব ইউক্রেনে রাশিয়া গত মাসেও পরাজয়ের শিকার হয়েছিল। রুশ বাহিনীকে একটি ফ্রন্টলাইন ধরে কুপিয়ানস্ক থেকে সত্তর কিলোমিটার দক্ষিণের এলাকায় পিছু হটতে দেখা গিয়েছিল। তারা ওসকিল নদীর ধারে পূর্ব দিকে প্রায় ২০ কিলোমিটার পিছু হটতে বাধ্য হয়। যা লুহানস্ক প্রদেশের সীমান্তে গিয়ে ঠেকেছে।

গত শনিবার রাশিয়ান বাহিনী কৌশলগত গুরুত্ব দোনেৎস্কের লিম্যান শহর থেকে পিছু হটে। ইউক্রেনের চারটি অঞ্চল রাশিয়ার অন্তর্ভুুক্তির একদিন পর এ ঘটনা ঘটে। পুতিন ঘোষণা দেন, ইউক্রেনের জাপোরিঝিয়া, খেরসন, দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক এখন থেকে রাশিয়ার অন্তর্ভুক্ত। এই অঞ্চলের জনগণই তাদের রাশিয়ার অন্তর্ভুক্তির সিদ্ধান্ত দিয়েছে বলে আনুষ্ঠানিক বক্তব্যে তিনি দাবি করেন।

খবরে বলা হচ্ছে, লিম্যান শহরটি হারিয়ে রাশিয়ান বাহিনী চাপে রয়েছে বলে জানায় ইউক্রেন ও তার মিত্র দেশগুলো। লিম্যান শহর পুনরুদ্ধারের পর ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, কিয়েভ বাহিনী লিম্যান শহরের কর্তৃত্ব হাতে নিতে সক্ষম হয়েছে। এই যুদ্ধে ক্রেমলিন ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে। রুশ সেনাদের ফাঁদে ফেলেই শহরটি পুনরুদ্ধার করা হয় বলে দাবি কিয়েভের।

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর